ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

লাখাই সড়কে যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

লাখাই সড়কে যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়
×

ফাইল ছবি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬ | ০২:০৪

হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কে যাত্রীদের রীতিমতো জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর পর যেন বেপরোয়া হয়ে উঠে চালকরা। ফলে চরম দূর্ভোগ ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাত হলেই নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করেন সিএনজি অটোরিকশা চালকরা।

যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানালে ঘটে যাত্রী ও চালকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা। অনেক সময় যাত্রীদের গাড়ীতে তোলা হয় না, এমনকি হয়রানির শিকারও হতে হয়। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীদের সবচেয়ে বেশি বিপাকে ফেলেন ওই চালকরা।

ভুক্তভোগীরা বলেন, অনেকই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও নির্ধারিত ভাড়ায় কোন সিএনজি পান না। এই দুর্ভোগ দূরীকরণে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন যাত্রীরা। একই সঙ্গে হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কে নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা কার্যকর, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা এবং প্রশাসনের কঠোর নজরদারী বাড়ানোর তাগিদ ভুক্তভোগী জনসাধারণের।

সুশীল দাস নামে এক যাত্রী জানান, হবিগঞ্জ থেকে লাখাইর নির্ধারিত ভাড়া ৭০ টাকা। কিন্তু সন্ধ্যার পরপরই সিএনজি চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে ১০০ থেকে ১২০ টাকা আদায় করেন। যা নিয়ে যাত্রী ও চালকদের মধ্যে প্রতিনিয়ত বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। প্রশাসন এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

আব্দুল করিম নামে এক ব্যক্তি বলেন, চালকরা বেশি ভাড়া তো আদায় করেনই তার ওপর আবার যাত্রীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। কলেজ ছাত্র রফিক মিয়া বলেন, তাদের হবিগঞ্জ লাখাই সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিন কলেজে আসা যাওয়া করতে হয়। কিন্ত চালকদের ভাড়া নৈরাজ্যের কারণে বিপদে পড়েন তারা।

তবে আব্দুর রউফ নামে এক চালকের দাবি, সন্ধ্যার পর ওই সড়কে তেমন যাত্রী পাওয়া যায় না। যে কারণে সিট খালি করে তাদের যাতায়ত করতে হয়। আর এ জন্যেই অনেক সিএনজি অটোরিকশা চালক সামান্য বেশি টাকা দাবি করেন।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি বলেন, চালকদের জন্য নির্ধারিত ভাড়া রয়েছে। যা তাদের সমিতির নেতাদের দ্বারা নির্ধারিত। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হলে নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করা হবে। 

আরও পড়ুন

×