ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানার স্টোররুম থেকে এজিএম'র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানার স্টোররুম থেকে এজিএম'র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
×

প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬ | ১৬:১১ | আপডেট: ১২ মে ২০২৬ | ১৬:১৮

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার মাসদাইর বারৈভোগ এলাকায় অবস্থিত অ্যাসরোটেক্স গ্রুপের ফারিহা নিট টেক্স নামের একটি পোশাক কারখানার ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তার মরদেহ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার এলাকাবাসীর খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকালে কারখানার স্টোররুমে তার মরদেহ পাওয়া যায় বলে জানান ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুব আলম।

নিহতের নাম ইদ্রিস আলী (৪৩)। তিনি সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদীর আবুল কাশেমের ছেলে এবং কারখানাটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কারখানাটির সিকিউরিটি ম্যানেজার মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, সকাল দশটার দিকে ইদ্রিসের মরদেহটি দেখতে পান কারখানার একজন শ্রমিক। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

‘সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় ছুটি হওয়ার পর তার গাড়িতে করে বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার সহকর্মীরা তাকে ফোন দিয়েও পাচ্ছিল না। পরে তাকে ছাড়াই গাড়ি ছেড়ে যায়। আজ তার লাশ পাওয়া গেল। ইদ্রিসের মরদেহটি যে স্টোররুমে মিলেছে, সেটি নিয়ন্ত্রণেরও দায়িত্বে ছিলেন তিনিই। ওই ঘরটির লাইট বন্ধ ছিল,’ যোগ করেন মনির।

নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার বলেন, বিকেলে ছুটি হওয়ার পর সন্ধ্যায় তিনি কারখানার গাড়িতেই বাড়ি ফেরেন। সোমবার না ফেরায় তার মোবাইলে কল দিলে তা কেউ রিসিভ করেননি। পরে বিষয়টি কারখানার কর্মকর্তাদের জানালে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘ইদ্রিস কারখানাতে নেই।’

 তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পুলিশকেও জানিয়েছিলাম রাতেই। সকালে শুনি স্টোররুমে লাশ পাওয়া গেছে। তিনি আত্মহত্যা করবেন, এমন কোনো কারণ নেই। আমাদের এ মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে।’ 

এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান নিহতের স্ত্রী। 

এদিকে ফতুল্লা থানা পুলিশের ওসি মাহবুব বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাতে কারখানাটির সামনে গেলে নিহতের সহকর্মী ও শ্রমিকদের ক্ষোভের মুখে পড়ে। তাদের নিবৃত করার পর আইনি কার্যক্রম চলছে।

এ ব্যাপারে ফারিয়া গ্রুপের অন্যতম পরিচালক ফারুক হোসেন জানান, ‘ঘটনাটি আমি এখনো জানি না। খোঁজ নিচ্ছি।’ 

আরও পড়ুন

×