ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে ‘লাল-সাদা বাদশা’, হাঁকা হচ্ছে ২৫ লাখ টাকা

দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে ‘লাল-সাদা বাদশা’, হাঁকা হচ্ছে ২৫ লাখ টাকা
×

নুর অ্যাগ্রো ফার্মের 'সাদা-লাল বাদশা'

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬ | ২০:৫২

কক্সবাজারের টেকনাফে পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বিভিন্ন খামারে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর বাজার। এসব খামারে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠেছে বিশাল আকৃতির ‘লাল-সাদা বাদশা’ নামের দুটি গরু। যার দাম হাঁকা হচ্ছে প্রায় ২৫ লাখ টাকা।

শুক্রবার সকালে উপজেলার লম্বরী এলাকার নুর অ্যাগ্রো ফার্মে গিয়ে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে কালো, লাল, সাদা ও বাদামি রঙের শতাধিক গরু-মহিষ। গরুগুলোর নামও রাখা হয়েছে আকর্ষণীয়ভাবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় আকৃতির দুটি গরু ‘লাল বাদশা’ ও ‘সাদা বাদশা’ দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে।

খামার সূত্র জানায়, প্রায় ১ হাজার কেজি ওজনের ‘লাল বাদশা’র দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা। আর ১২০০ কেজি ওজনের ‘সাদা বাদশা’র দাম চাওয়া হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া কায়ুকখালী পাড়া এলাকার সাদ্দাম অ্যাগ্রো খামারেও রয়েছে বড় আকৃতির ‘প্রিন্স’ ও ‘মধু’ নামের দুটি গরু। যার দাম হাঁকা হচ্ছে প্রায় ১৫ লাখ টাকা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নুর অ্যাগ্রো ফার্মে বর্তমানে ১৩০টি গরু ও ১৭টি মহিষ রয়েছে। বেশির ভাগ পশুর ওজন ১০ থেকে ২০ মণ পর্যন্ত। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ খামারে এসে গরু দেখছেন এবং আগ্রহ নিয়ে দাম যাচাই করছেন। 

নুর অ্যাগ্রো ফার্মের পরিচালক আবদুল করিম বলেন, ‘মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ছোট-বড় সব ধরনের গরু-মহিষ খামারে রাখা হয়েছে, যেন কোনো ক্রেতা এসে খালি হাতে ফিরে না যান। অন্য বছরের তুলনায় এবার খামারে শতাধিক কোরবানির পশু রয়েছে। বেচাকেনাও শুরু হয়েছে, এবারে খরচও বেড়েছে। আমাদের খামারে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ তৈরি করেছে লাল-সাদা বাদশা। এদের দৈনিক খরচ ৫-৬ হাজার টাকার বেশি।’

উপজেলার প্রাণিসম্পদ কার্যালয় জানায়, সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে আড়াইশ খামার রয়েছে। এর মধ্যে বড় খামার অর্ধশতাধিক। এসব খামারে ১৮ হাজারের বেশি গরু, মহিষ, ছাগল আছে। উপজেলায় কোরবানির প্রাণীর চাহিদা রয়েছে ১০ হাজারের মতো।  ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই টেকনাফের খামারগুলোতে বাড়ছে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ভিড়। অনেকে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বিক্রি শুরু করেছেন।

এদিকে মিয়ানমার থেকে চোরাইপথে আসা গরুর কারণে খামারিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশিয় গরুগুলো বিভিন্ন সংক্রমণ ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার আশংকার কথা জানিয়েছেন অনেকে।

আরও পড়ুন

×