ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

৬ ঘণ্টায় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা চসিকের

৬ ঘণ্টায় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা চসিকের
×

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রস্তুতি সভা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬ | ১৯:৩৬

পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে সর্বোচ্চ ছয় ঘণ্টার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে নগরজুড়ে একযোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সোমবার নগরের টাইগারপাসে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রস্তুতি সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

মেয়র বলেন, ‘কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে পশুর বর্জ্য অপসারণ শুরু হবে। আমরা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, পরবর্তী ছয় ঘণ্টার মধ্যেই পুরো নগরের বর্জ্য পরিষ্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’

তিনি জানান, নিজেও দুপুর ২টা থেকে নগরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন। বিমান অফিসের সামনে অবস্থিত সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এলাকা থেকে পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করা হবে।

সভায় চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ, যান্ত্রিক শাখা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় মেয়র বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়ে বলেন, নগরবাসীকে নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করা এবং চসিকের সরবরাহ করা পলিথিন ব্যাগে বর্জ্য ভরে নির্দিষ্ট স্থানে রাখার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘যত্রতত্র বর্জ্য পড়ে থাকলে রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ ও তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’
কোরবানির পশুর চামড়া ব্যবস্থাপনাকেও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন মেয়র। তিনি বলেন, ‘চামড়া যেন যত্রতত্র পড়ে না থাকে এবং পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি না হয়, সেজন্য চামড়া ব্যবসায়ী, আড়তদার ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।’

সভায় জানানো হয়, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে পৃথক গাড়ির মাধ্যমে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে জোন কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সমন্বয়ে বিশেষ টিম দায়িত্ব পালন করবে।

সভায় আরও বক্তব্য দেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি।

আরও পড়ুন

×