পশুর হাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউরা পশুর হাটে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াসিন।
কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬ | ২২:৩৮ | আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ | ২২:৩৯
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াসিন বলেছেন, এবারের ঈদ উল আজহার গরু বাজারে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চাঁদাবাজি, অনিরাপত্তা বা অব্যবস্থাপনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। মঙ্গলবার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউরা পশুর হাটে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
বাজারে জাল নোটের বিস্তার নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জাল নোটের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ই নিরাপদ লেনদেন করতে পারেন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর গরু ক্রয় বিক্রি বেড়েছে। তাই এক কোটি পশু কোরবানি হতে পারে। দেশে কোরবানির পশুর কোন সংকট হবে না। ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের জন্য বছরের অন্যতম বড় আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করছে। কোরবানির পশু পালন ও বিক্রির মাধ্যমে লাখো পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে এবং এটি ধীরে ধীরে একটি শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিণত হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কোরবানির আয়োজন। এ উপলক্ষে সারা দেশের কৃষক ও খামারিরা এক থেকে দুই বছর ধরে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ লালন-পালন করে বাজারে নিয়ে আসেন। ফলে কোরবানির মৌসুম প্রান্তিক খামারিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে। দেশে বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের প্রবণতা বাড়ছে এবং এটি কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘পশুর হাটগুলো পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহে প্রতিটি হাটে ভেটেরিনারি টিম দায়িত্ব পালন করছে। খামারি ও ব্যাপারিদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।’
এ সময় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহে আলম, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
