ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

মুন্সীগঞ্জে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

মুন্সীগঞ্জে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
×

প্রতীকী ছবি

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬ | ০২:৪৫

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়সহ কমপক্ষে পাঁচটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে । ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

সোমবার হোসেনদি ইউনিয়নের চর বলাকি এলাকায় সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমর্থন দেওয়া নিয়ে বিএনপির প্রার্থীর সমর্থক মুসা মিয়ার সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক শহর আলীর বিরোধ চলছে। এর জের ধরে গতকাল দুপুরে ঈদগাহ এলাকায় শহর আলীর সঙ্গে মুসা মিয়ার কথা-কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়। এ ঘটনা জানাজানি হলে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক উপজেলা যুবলীগ নেতা নাজমুল ইসলাম এবং বিএনপি প্রার্থীর সমর্থক যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন প্রধানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় হোসেন্দী ইউনিয়ন বিএনপির ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয় এবং অন্তত পাঁচটি বসতবাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুসা মিয়া বলেন, ‘কয়েক মাস আগে শহর আলী এবং তাঁর ছেলে আমাকে মারধর করেছিল। আজ শহর আলীর সঙ্গে দেখা হলে তাঁর কাছে বিষয়টির মীমাংসার বিষয়ে জানতে চাইলে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়।’

আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘স্থানীয় যুবলীগ নেতা নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে আমাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় পার্টি অফিসসহ আমার বসতঘর এবং নুর ইসলাম, ইকবাল হোসেন, শুক্কুর আলী ও জিকুর ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। দুই শতাধিক লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এ হামলা চালায়।’

অভিযোগ অস্বীকার করে নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আনোয়ার হোসেনের লোকজন বিনা উস্কানিতে আমাকে ধাওয়া ও মারধরের চেষ্টা করে। পার্টি অফিস ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তারা নিজেরাই নিজেদের ঘরবাড়ি ও কার্যালয় ভাঙচুর করে দায় আমাদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এটি কোনো দলীয় বিরোধ নয় বরং ব্যক্তিকেন্দ্রিক সমস্যা।’

গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ‘পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বেশকিছু বাড়িঘর ও একটি দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের খবর পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন

×