এসআইয়ের বিরুদ্ধে ঠিকাদারি ব্যবসার অভিযোগ
চাটখিল থানার এসআইয়ের সঙ্গে রোড অ্যান্ড হাইওয়ের বালু ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন সংগৃহীত
চাটখিল (নোয়াখালী) সংবাদদাতা
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬ | ০৮:০৭
| প্রিন্ট সংস্করণ
চাটখিল থানার এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন কাজে ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। তবে নিজের নামে ঠিকাদারি লাইসেন্স না করে, বিভিন্ন নামে-বেনামে লাইসেন্স নিয়ে তিনি তাঁর ভাইদের দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
জানা যায়, সোনাইমুড়ী-রামগঞ্জ সড়ক ফোর লেনে উন্নীতকরণের কাজে চাটখিল থানার এসআই আব্দুল কুদ্দুস ঠিকাদার ব্যবসায়ী বেলাল হোসেনের সঙ্গে যৌথভাবে বালু সাপ্লাইয়ের কাজ শুরু করেন। পরে তিনি প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে এককভাবেই বালু সাপ্লাইয়ের কাজ চালিয়ে যান। তিনি কখনও পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায়, আবার কখনও সিভিল পোশাকে বালু সাপ্লাইয়ের কাজ পরিচালনা করেন। সোনাইমুড়ী-রামগঞ্জ সড়ক ফোর লেন কাজে এককভাবে বালু সাপ্লাই দিতে গিয়ে তিনি অন্য সাপ্লাইয়ারদের হয়রানি করে থাকেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগের সূত্র ধরে, গত মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর ব্যবসায়িক পার্টনার ঠিকাদার ব্যবসায়ী বেলাল হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এসআই আব্দুল কুদ্দুস তাঁর সঙ্গে যৌথভাবে বালুর ব্যবসা করলেও এখন তিনি (কুদ্দুস দারগা) এককভাবে ব্যবসা করেন। ঠিকাদার বেলাল হোসেন আরও জানান, আব্দুল কুদ্দুস প্রশাসনিকভাবে অন্য ঠিকাদারদের হয়রানি করছেন। অন্য ঠিকাদারদের বালুর ট্রাক পথে আটকে রাখেন এবং ট্রাক এলেও বালু ফেলতে দেন না।
এ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, এসআই আব্দুল কুদ্দুসের বালুর ট্রাক আসলে তিনি নিজেই পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায় রাস্তায় বালু ফেলার নির্দেশনা দিচ্ছেন এবং তাঁর সহযোগীদের কাজ তত্ত্বাবধায়ন করছেন। আরেকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদ উল্লাহ পাটোয়ারীর মালিকানাধীন তারাজ ফিলিং স্টেশনের একটি কক্ষে এসআই আব্দুল কুদ্দুস তাঁর ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সেখানে তাঁর কর্মচারীদের সঙ্গে তিনি নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। এ ব্যাপারে এসআই আব্দুল কুদ্দুসের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
- বিষয় :
- ঠিকাদার