ঢাকা রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬

পাঁচ ঘণ্টার লোডশেডিং পরীক্ষা কেন্দ্রে হাঁসফাঁস

পাঁচ ঘণ্টার লোডশেডিং পরীক্ষা কেন্দ্রে হাঁসফাঁস
×

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬ | ০৮:৩৩

| প্রিন্ট সংস্করণ

টানা পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। এতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে ছিলেন এদিন এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে থাকা শিক্ষার্থীরা।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত পুরো শহর বিদ্যুৎহীন থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। প্রচণ্ড গরমে জনজীবন যেমন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে, তেমনই স্থবির হয়ে পড়ে শহরের বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানগুলো।

বিদ্যুৎ না থাকায় পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাতাস চলাচলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থবোধ করেন।
মোহন দাস নামের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রচণ্ড গরমে শরীর থেকে অনবরত ঘাম ঝরছিল। খাতার অতিরিক্ত কাগজ (লুজ পেপার) দিয়ে বারবার ঘাম মুছতে হয়েছে। গরমে মনোযোগ ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ায় পরীক্ষা আশানুরূপ হয়নি।

ওবায়দুল হাসান রাহাত নামের আরেক পরীক্ষার্থী জানান, তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই উত্তরপত্র জমা দিয়ে হল থেকে বের হতে বাধ্য হন।
পৌর শহরের আলফাত স্কয়ার, ট্রাফিক পয়েন্ট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, কোর্ট পয়েন্ট, হাছননগরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিদ্যুৎ না থাকায় প্রিন্টিং, ফটোকপি, কম্পিউটার, স্যালুন ও অনলাইন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। অতিরিক্ত জ্বালানি খরচের কারণে অনেক ব্যবসায়ী জেনারেটর ব্যবহার করতে পারেননি। সরকারি কলেজের পাশে মা কম্পিউটার নামের দোকানের স্বত্বাধিকারী জিসান বলেন, অনলাইন আবেদন, টাইপিং ও প্রিন্টিংয়ের কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। জরুরি কাজ করতে না পেরে অনেক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একই ধরনের ক্ষোভ প্রকাশ করেন মোবাইল মেকানিক সুজিত দাস এবং স্যালুন কর্মচারী সাগর দাসও।
দ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল আহমাদ বলেন, ‘সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে ৩৩ কেভি লাইনের একটি কেবলে আকস্মিক কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। পরে বিকল্প কেবল সংযোগের মাধ্যমে দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।’

আরও পড়ুন

×