ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

ভেড়ামারা

পদ্মা নদীর তড়িয়া মহলে অবৈধ বালু সংরক্ষণ রোধে লাল পতাকা

পদ্মা নদীর তড়িয়া মহলে অবৈধ বালু সংরক্ষণ রোধে লাল পতাকা
×

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধ

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬ | ২৩:৫৯

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীর তড়িয়া মহলে বালু ব্যবসায়ীদের অবৈধ বালু সংরক্ষণ প্রতিরোধে লাল পতাকা পুঁতে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের পদ্মা নদী সংলগ্ন পশ্চিম বাহিরচর ও চররুপপুর মৌজার মুন্সিপাড়া ও টিকটিকিপাড়া ঘাটের তড়িয়ামহলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল আরাফাত অভিযান চালিয়ে এই লাল নিশান স্থাপন করেন। 

আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার এবং ভেড়ামারা থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, তড়িয়া বালুমহলে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু সংরক্ষণের কারণে গত বছর পদ্মা নদীতে ব্যাপক ভাঙন হয়েছে। এতে আগের বছরগুলোতেও শত শত একর জমি বিলীন হয়েছে। ফলে হার্ডিঞ্জ রেলসেতু, লালন শাহ সেতু, ভারত-বাংলাদেশ কম্বাইন্ড বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কসহ বেশ কয়েকটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা, গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা এবং পরিবেশ বিপর্যয় রোধে গত ৬ জুন উপজেলা প্রশাসনের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পুরো বালুমহাল এলাকায় লাল পতাকা টাঙিয়ে দেয়। এর দু’দিন আগে ৪ জুন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্তৃপক্ষও বাহিরচর ইউনিয়নের বালুমহালের রাস্তা বরাবর লাল পতাকা টাঙিয়েছিল।

তবু ব্যবসায়ীরা নিয়মের তোয়াক্কা না করে আগের মতোই বালু ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় দ্বিতীয়বারের মতো ইউএনও মো. আমিরুল আরাফাত অভিযান চালিয়ে লাল পতাকা টাঙান। অভিযানকালে বালু স্থানান্তরে ব্যবহৃত পাইপলাইন সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়।

ইউএনও মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, ‘আজ তড়িয়ামহালটিতে দ্বিতীয়বারের মত লাল নিশান স্থাপন করা হলো। এর আগে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযানও পরিচালনা করা হয়। এতসব করেও অসাধু চক্রকে ঠেকানো যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন

×