ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউনিয়ন পরিষদে গাছ কাটার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

ইউনিয়ন পরিষদে গাছ কাটার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে
×

কিশোরগঞ্জ ও অষ্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬ | ১২:৩৮ | আপডেট: ২৮ আগস্ট ২০২৬ | ১৫:৩৩

কিশোরগঞ্জের এক ইউপি চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদের সীমানা প্রাচীরের ভেতর থেকে ছয়টি মূল্যবান গাছ কেটে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব গাছ মানুষের অগোচরে রাতের বেলায় কাটা হয়েছে বলেও জানা গেছে। ইউনিয়ন পরিষদের কোনো সদস্যও জানেন না, কী কারণে এসব কাটা হলো।

জানা গেছে, অষ্টগ্রাম উপজেলার আদমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মন্নাফ কার্যক্রম নিষিদ্ধ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি গত কয়েকদিনে ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা থেকে ছয়টি গাছ কেটে করাত কলে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মেহগনি ও একাশিয়াসহ বিভিন্ন জাতের গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছের মূল্য ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা হতে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন। 

৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্যানেল চেয়ারম্যান পলাশ মিয়া বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। চেয়ারম্যানের সঙ্গে এ বিষয়ে তার কোনো কথাও হয়নি। অন্য সদস্যদের তিনি জিজ্ঞাসা করেছেন, তাঁরাও কিছু বলতে পারেননি। 

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আব্দুল মন্নাফ জানিয়েছেন, তিনি এবার নিয়ে মোট চারবার চেয়ারম্যান হয়েছেন। তিনি আদমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকও। তিনি বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের তিনটি গাছ মরে গিয়েছিল। এগুলো ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। যে কারণে বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিলিভিয়া স্নিগ্ধাকে বিষয়টি জানালে তিনি গাছগুলো কেটে ফেলার জন্য মৌখিক অনুমতি দিয়েছিলেন। তবে আমার ভুল হয়েছে, কেন লিখিত অনুমতি নিলাম না।’

চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমি গাছগুলো বিক্রি করিনি। করাতকলে রেখে দিয়েছি। প্রচার চালানো হচ্ছে, গাছগুলো রাতের বেলায় কেটেছি। এটাও মিথ্যা’।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘গাছগুলো কাটা হয়েছে ২০-২৫ দিন আগে। মাঝে একটা মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এর সঙ্গে আমাকেও জড়িয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এর পরই ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পলাশ গাছ কাটার বিষয়টি প্রচারে নিয়ে এসেছেন।’

এদিকে অষ্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত ইউএনও আবদুল আহাদকে গাছ কাটার বিষয়ে প্রশ্ন করলে জানান, গাছ কাটার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন থেকে কোনো ধরনের অনুমতি নেওয়া হয়নি। যে কারণে চেয়ারম্যান আবদুল মন্নাফকে বৃহস্পতিবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।  

আরও পড়ুন

×