ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হবিগঞ্জ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

অভিযোগ বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু

হবিগঞ্জ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
×

ফাইল ছবি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬ | ১৮:৫৪ | আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৬ | ২০:০৫

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের চিমটিবিল সীমান্তে গুলিতে নিহত সোহাগ মিয়া নামে এক যুবকের মরদেহ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে সীমান্ত এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্বজনদের অভিযোগ, বিএসএফের গুলিতে সোহাগের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত সোহাগ মিয়া উপজেলার চিমটিবিল খাস এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও স্বজনরা জানান, রোববার দুপুরে সোহাগ সীমান্ত এলাকায় গরু চড়াতে যান। এ সময় তাঁর একটি গরু সীমান্তের শূন্যরেখা পেরিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে চলে যায়। গরুটি আনতে গেলে বিএসএফ সদস্যরা তাঁকে গুলি করেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। পরে সোহাগকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় গিয়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখেন। সেখান থেকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের চাচা আব্দুল কাদির বলেন, প্রতিদিনের মতো সোহাগ সীমান্ত এলাকায় গরু চড়াতে গিয়েছিলেন। গরু আনতে গেলে বিএসএফ অতর্কিতভাবে তাঁকে গুলি করে। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে সীমান্ত এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল রাজ্জাক রাজু বলেন, বিএসএফের গুলিতেই সোহাগের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখেছেন। সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়রা নিয়মিত গরু চরালেও এভাবে গুলি করা ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সিরাজুল মুনিরা বলেন, পরিবারের লোকজন সোহাগকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

চুনারুঘাট থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, সীমান্ত এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সম্ভবত চোরাচালানের গরু আনতে গিয়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে থাকতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে আরও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×