ঢাকা সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার মামলা

আবার সাক্ষ্য গ্রহণ পেছাল, ১০ বছরে ৬৬ জনের সাক্ষ্য

আবার সাক্ষ্য গ্রহণ পেছাল, ১০ বছরে ৬৬ জনের সাক্ষ্য
×

ফাইল ছবি

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৫৩

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহে জঙ্গি হামলা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ আবার পিছিয়েছে। সোমবার দুজন চিকিৎসক ও চারজন তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ছিল। কিন্তু তারা উপস্থিত না হওয়ায় সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সুপ্রিয়া রহমান সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন আগামী ১৯ অক্টোবর। মামলায় ১০২ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ বছরে বাদী, দুজন চিকিৎসক, পুলিশ সদস্যসহ ৬৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সরকারপক্ষের আইনজীবী ও সরকারি কৌঁসুলি মো. মিজানুর রহমান।

২০১৬ সালের ৭ জুলাই শোলাকিয়া ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাতে হামলা করে নব্য জেএমবির সদস্যরা। হামলায় মারা যান চেকপোস্টে দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল আনছারুল হক ও জহিরুল ইসলাম। আহত হন অন্তত ১০ পুলিশ সদস্য। অন্যদিকে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন আবির রহমান (২৩) নামে এক জঙ্গি। ঝর্ণা রাণী ভৌমিক (৪০) নামে এক গৃহবধূও মারা যান সেদিন। আরেক জঙ্গি শফিউল ইসলাম গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রিভলবারসহ আটক হন। কিশোরগঞ্জ শহরের মনিপুর ঘাট এলাকার জাহিদুল হক তানিমকেও ঘটনাস্থল থেকে জঙ্গি সম্পৃক্ততায় আটক করা হয়। এ ঘটনায় জব্দ করা হয় রিভলবার, হ্যান্ড গ্রেনেড, চাপাতি ও চায়নিজ কুড়াল।

ঘটনার তিন দিন পর ১০ জুলাই চেকপোস্টে দায়িত্বে থাকা পাকুন্দিয়া থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সামছুদ্দিন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রথমে আসামি করা হয়েছিল রিভলবারসহ আটক শফিউল ইসলাম ও জাহিদুল হক তানিমকে। পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত তদন্ত শেষে মোট ২৪ জনকে আসামি করা হয়। শফিউল ইসলামসহ ১৯ আসামি বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন। জীবিত পাঁচজন হলেন রাজিব গান্ধী, সোহেল মাহফুজ, বড় মিজান, আনোয়ার হোসেন ও জাহিদুল হক তানিম। এখন তাদেরই বিচার চলছে। তাদের মধ্যে বড় মিজান গত বছর ১৪ মে, আনোয়ার হোসেন ২ জুলাই জামিনে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলি মিজানুর রহমান।

আরও পড়ুন

×