ঢাকা রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪১, টিকা সংকট

সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স  আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪১, টিকা সংকট
×

 সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:৫৪ | আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৯:১২

| প্রিন্ট সংস্করণ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দুটি গ্রামে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. কামরুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে স্থানীয় লোকজনের দাবি, ১০০ জনের বেশি আক্রান্ত হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ আগস্ট কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের দুলাল গ্রামের হাবিবুর রহমানের একটি ও ১৮ সেপ্টেম্বর সর্বানন্দ ইউনিয়নের বাছহাটী গ্রামের মঞ্জুরুল ইসলামের দুটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারা গ্রামের মানুষের কাছে মাংস বিক্রি করেন। এর পরই দুই গ্রামের অনেকের শরীরে ফোসকা পড়ে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দেয়। হাসপাতালে পরীক্ষা করালে রোগটি শনাক্ত হয়।

সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় ২৩ সেপ্টেম্বর রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. সোহেল রহমান, ডা. কাজী তাহমিনা করিম, এফইটিসি ফেলো ডা. মোস্তফা মাহমুদ, ডা. মেরি হাপাং, মেডিকেল এনথ্রোপলজিস্ট ড. দৌলত খানসহ একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এপিডেমিওলজি সেলের ডেপুটি চিফ এপিডেমিওলজিষ্ট রফিকুল ইসলামসহ একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

এদিকে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট গরুর সংখ্যা ২ লাখ ৫৪ হাজার। নিয়ম অনুযায়ী, যে এলাকায় অ্যানথ্রাক্স দেখা দেয় তার আশপাশের তিন কিলোমিটারের মধ্যে সব গরুকে টিকা দিতে হয়। এই হিসাবে টিকা প্রয়োজন ৪৫ হাজার। গতকাল শনিবার পর্যন্ত টিকা পাওয়া গেছে ৩০ হাজার। জনবল সংকটে সব টিকাও দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কে এম ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, আক্রান্তদের চিকিৎসা চলছে। টিকা কার্যক্রম অব্যাহত। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান বলেন, দিন দিন রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে।
 

আরও পড়ুন

×