ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামে প্রথম কপিরাইট সনদ পেল গফুর হালীর গান

চট্টগ্রামে প্রথম কপিরাইট সনদ পেল গফুর হালীর গান
×

সাংবাদিক নাসির উদ্দিন হায়দারের হাতে কপিরাইট সনদ হস্তান্তর করা হয়

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২১ | ১১:২২

পাঞ্জাবিওয়ালা, মনের বাগানে, সোনাবন্ধু কিংবা দেখে যারে মাইজভান্ডারে গানের অমর স্রষ্টা আবদুল গফুর হালী। চট্টগ্রামের প্রথম শিল্পী হিসেবে কপিরাইট সনদ পেল এই সংগীতজ্ঞের ৩০০ গান ও ছয়টি আঞ্চলিক নাটক। রোববার ঢাকার জাতীয় গ্রন্থাগারের কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার জাফর রাজা চৌধুরী আবদুল গফুর হালী রিসার্চ সেন্টারের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন ও রিসার্চ সেন্টারের সেক্রেটারি সাংবাদিক নাসির উদ্দিন হায়দারের হাতে কপিরাইট সনদ হস্তান্তর করেন।

কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার জাফর রাজা চৌধুরী বলেন, আবদুল গফুর হালী হলেন চাটগাঁইয়া গানের প্রধানতম রূপকার। তার গান বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্ব পরিসরে সমাদৃত হয়েছে। অনন্য প্রতিভাধর এই সংগীতজ্ঞের অমর গানগুলো সংরক্ষণে পিএইচপি ফ্যামিলি ও আবদুল গফুর হালী রিসার্চ সেন্টার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। গফুর হালীর মতো শিল্পীর গান ও নাটকের কপিরাইট সনদ দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।

আবদুল গফুর হালী রিসার্চ সেন্টারের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন বলেন, চট্টগ্রামের কোনো শিল্পীর গান এই প্রথম কপিরাইট সনদ পেল, যা আমাদের জন্য গর্বের। আবদুল গফুর হালী রিসার্চ সেন্টারের সেক্রেটারি, লোকসংগীত গবেষক ও সাংবাদিক নাসির উদ্দিন হায়দার বলেন, আবদুল গফুর হালী টানা ছয় দশক চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের গান গেয়েছেন। এই কপিরাইটের স্বীকৃতি চট্টগ্রামের জন্য বড় অর্জন।

সুফি মিজান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক আনোয়ারুল হক চৌধুরীর পৃষ্ঠপোষকতায় আবদুল গফুর হালীর ৩০০ গানের স্বরলিপিসহ তিনটি গীতিকাব্য সুরের বন্ধন, শিকড়, দিওয়ানে মাইজভান্ডারী ও চাটগাঁইয়া নাটকসমগ্র প্রকাশিত হয়েছে। গফুর হালীর ৭৬টি মাইজভান্ডারী গান জার্মান ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তার গান ও জীবন নিয়ে জার্মানির হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হান্স হার্ডার প্রকাশ করেছেন গবেষণাগ্রন্থ। গফুর হালীর গান নিয়ে গবেষণা করেছেন বিশ্বখ্যাত নৃবিজ্ঞানী পিটার জে বার্টুসি ও যুক্তরাষ্ট্রের সংগীত গবেষক বেঞ্জামিন ক্রাকাউরসহ অনেকে।

আরও পড়ুন

×