ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান, ২ দালালের কারাদণ্ড

খুলনা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান, ২ দালালের কারাদণ্ড
×

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৭:৫৬

খুলনা বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালিয়ে দুই দালাল, দুই আনসার সদস্য, অফিসের উচ্চমান সহকারী ও নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানির প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার বেলা ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এই অভিযান চলে। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ফিরোজ শিকদার ও মিলটন নামের দুই দালালকে দুই দিনের কারাদণ্ড এবং দুই হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান খান।

দণ্ডিত ফিরোজ শিকদার নগরীর ছোট বয়রা এলাকার স্বর্ণালী কলোনির বাসিন্দা আবুল শিকদারের ছেলে এবং মিল্টন একই এলাকার সোহরাব হোসেনের ছেলে।

আনসার সদস্য ফরমান সরদার ও রবিউল ইসলাম, উচ্চমান সহকারী হোসনে আরা খাতুন এবং নৈশ প্রহরী আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে দুদক। এছাড়া বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগ করেন দুদকের অভিযান পরিচালনা টিমের সদস্যরা।

দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক নাজমুল ইসলাম জানান, দুদকের হেল্পলাইন ১০৬ নম্বরে ফোন করে পাসপোর্ট অফিসে ভোগান্তির অভিযোগ করেন কয়েকজন গ্রাহক। ঢাকায় কমিশনকেও বিষয়টি জানানো হয়। পরে কমিশন থেকে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। সোমবার সকালে গ্রাহক সেজে পাসপোর্ট অফিসে আসে দুদকের সদস্যরা।

তিনি আরও জানান, দালাল মিল্টন ও ফিরোজকে আটকের পর তারা স্বীকার করেন আনসার সদস্য ফরমান ও রবিউল ইসলামের মাধ্যমে উচ্চমান সহকারী হোসনে আরাকে ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করেন তারা। এক্ষেত্রে ৩ হাজার ৪৫০ টাকার স্থলে সাড়ে ৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। অভিযানের সময় নৈশ প্রহরী আজহারুল ইসলামের কাছে ৬৩টি ডেলিভারি স্লিপ উদ্ধার করা হয়। দুদকের টিম কয়েকজন গ্রাহককে ফোন করলে তারা জানান, প্রতিটি স্লিপের বিপরীতে তারা সাড়ে ৫ হাজার টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন।

আরও পড়ুন

×