এডওয়ার্ড কলেজের অধ্যক্ষের দুর্নীতি তদন্তে দুদক
পাবনা অফিস
প্রকাশ: ০৮ জানুয়ারি ২০২০ | ০৯:৫১
পাবনার সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুই কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে মাঠে নেমেছে দুদক।
এ ব্যাপারে বুধবার দুদক পাবনা কার্যালয়ে কলেজের আট কর্মচারী, চার ছাত্রনেতা ও দুই শিক্ষকের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। তাদের নামেই ভুয়া বিল ও ভাউচারের মাধ্যমে প্রায় দুই কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ ড. হুমায়ুন কবীর মজুমদারের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ২০১৮ সালের ২১ মার্চ শিক্ষা সচিবের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন খাতে অনিয়ম করে প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। রহস্যজনক কারণে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া ২০১৮ সালের ৬ ডিসেম্বরের সরকারি এক অডিটেও অবৈধভাবে আদায় করা প্রায় ৩৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এখনও তিনি সে টাকা জমা দেননি।
দুর্নীতি দমন কমিশন পাবনা অফিসের উপসহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা
মোস্তাফিজুর রহমান তদন্তের কথা স্বীকার করে বলেন, অধ্যক্ষ ড. হুমায়ুন কবীর
২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিভিন্ন খাতের প্রায় দুই কোটি টাকা নানা ভুয়া বিল ও
ভাউচার করে আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়টি তদন্তের জন্য সংশ্নিষ্ট
আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা
হবে।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ ড. হুমায়ুন কবীর মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি
অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একটি মহল আমাকে হেয় করতে নানা অপপ্রচার
চালাচ্ছে। দুদক অফিসের বিষয় নিয়ে শিক্ষকসহ আট কর্মচারীকে ডেকেছে। তারা
সাক্ষ্য দিয়েছেন। এতে দুর্নীতির কোনো বিষয় নেই।
