তরুণদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরুন: প্রধানমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: ফোকাস বাংলা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২০ | ০৭:৫০ | আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২০ | ০৭:৫৩
প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে তরুণ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে আসন্ন মুজিববর্ষে জাতিকে উজ্জীবিত করার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। খবর বাসসের।
তিনি বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধাদের বলবো, বর্তমান যুগের শিশু-কিশোর, যুবকদের এই মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, কাহিনী শোনান। যেভাবে যুদ্ধ করেছেন সেই যুদ্ধের গল্প তাদের কাছে বলুন। তারাও যেন একটা দৃঢ়চেতা মনবল নিয়ে গড়ে উঠতে পারে। দেশকে ভালবাসতে পারে। সুন্দর দেশ গড়ে তুলতে পারে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদে সভাপতিত্ব করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন স্বাধীনতার পরপরই তাদের মুক্তিযোদ্ধা পদক দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া আমরা যখন ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করি তখনও অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের সার্টিফিকেট দিয়েছি। যার মধ্যে প্রায় ৭০ হাজার সার্টিফিকেট নিজে স্বাক্ষর করে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে তুলে দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, দুর্ভাগ্য হলো পরবর্তীতে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে সেগুলোকে বাতিল ঘোষণা করে। কিন্তু অনেকেই সেটা রেখেছিলেন, যেটা এখনও কাজে আসে। মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতির জন্য তাদের বিভিন্ন সম্মাননা পদক আমরা দিয়েছি এবং তাদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছি। অথচ পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর এমন দিনও এসেছিল যে, কেউ নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিতেই ভীতসন্ত্রস্ত ছিল। এখন আর সেটা নেই। এখন গর্ব করে সবাই বলতে পারে যে, আমরা মুক্তিযোদ্ধা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময়ের তরুণ সমাজ জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। কাজেই তাদের যথাযথ সম্মান আমরা ফিরিয়ে দিয়েছি। এ সম্মানটাইতো সবচেয়ে বড় পদক। এরচেয়ে বড় পদক আর কী হতে পারে!
- বিষয় :
- প্রধানমন্ত্রী
- শেখ হাসিনা
- সংসদ
