ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

দুর্নীতি দমনে যৌথভাবে কাজ করবে দুদক ও অক্সফাম

দুর্নীতি দমনে যৌথভাবে কাজ করবে দুদক ও অক্সফাম
×

বৃহস্পতিবার দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন অক্সফাম ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ফ্রাঙ্ক করটেডার। ছবি: সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২০ | ১০:০৫

দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে কাজ করবে। দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের সঙ্গে সংস্থার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত হয়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

দুদক সূত্র জানায়, দুদক-অক্সফাম যৌথভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে কর্মকৌশল নিয়ে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি পরিকল্পনা তৈরি করবে। দুদকের প্রতিরোধ বিভাগের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি যৌথ টিম ওই কর্মকৌশল প্রণয়ন করবে।

অক্সফাম ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ফ্রাঙ্ক করটেডার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে ওই বৈঠকে মিলিত হয়।

বৈঠকে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদক ও অক্সফাম যৌথ অংশীদারিত্বে দুর্নীতিবিরোধী গণসচেতনতা সৃষ্টিতে কার্যকর ও দৃশ্যমান কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পারে, যাতে জনগণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠে প্রতিবাদ করতে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে। জনগণের দুর্নীতিবিরোধী তীব্র আকাঙ্ক্ষাই দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে।

বৈঠকে অক্সফাম প্রতিনিধিরা জানান, তারা তৃণমূল পর্যায়ে বিশেষ করে ত্রাণ, নদীভাঙন, পরিবেশসহ বিভিন্ন ইস্যুতে গণশুনানি করে থাকেন। গণশুনানির মাধ্যমে তারা দুর্নীতির অনেক তথ্য পেয়ে থাকেন। এ জাতীয় তথ্য দুদক গ্রহণ করলে তারা সরবরাহ করতে পারেন, যা প্রান্তিক পর্যায়ে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি পরিষেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কমিশন দেশব্যাপী গণশুনানি পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেবাগ্রহীতায় নাগরিকদের মধ্যে একটি মিথষ্ক্রিয়া যেমন হচ্ছে, তেমনি সরকারি কর্মকর্তারাও তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন হচ্ছেন। আমরা চাই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা সেবাগ্রহীতা নাগরিকদের 'স্যার' সম্বোধন করবেন।

অক্সফাম ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর বলেন, পলিসিগুলো এমনভাবে প্রণয়ন করা উচিত, যাতে প্রক্রিয়াগতভাবেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়।

আরও পড়ুন

×