উহান ঘুরে আসা পাইলট-ক্রুদের ভিসা দিচ্ছে না অন্য দেশ
ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ০৬:১৩ | আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ০৭:০০
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যে উড়োজাহাজটিতে করে চীনের উহান শহর থেকে বাংলাদেশিদের আনা হয়েছে সেটির পাইলট ও ক্রুদের অন্য কোনো দেশে ঢুকতে ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে তারা আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারছেন না।
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বিষয়টি উঠে আসে। বৈঠক শেষে দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, চিকিৎসক ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে আরও ১৭১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরতে চাইছেন। কিন্তু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে তাদের আনতে সমস্যা হচ্ছে। কারণ এর আগে ৩১২ জন বাংলাদেশিকে যে ফ্লাইট আনা হয়েছিল সেটির পাইলট ও ক্রুদের অন্য দেশে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে নতুন করে আসতে চাওয়া বাংলাদেশিদের চীনের কোনো এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ ভাড়া করে আনার কথা ভাবা হচ্ছে। চীন থেকে নতুন যারা বাংলাদেশে ফিরবেন তাদেরও কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে বলে এ সময় জানানো হয়।
চীনের উহান শহরে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার এ পরিস্থিতিতে দেশটিতে বিমান যাতায়াত বন্ধ রাখা হবে কি না- এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এখন প্রতিদিন চীনে ৪টি ফ্লাইট যাচ্ছে। প্রতি ফ্লাইটে ১০ থেকে ১২ জনের যাত্রী হচ্ছে না। ধারণা করছি, এয়ারলাইন্সগুলো নিজেরাই ফ্লাইট বন্ধ করে দেবে।
গত শনিবার 'আকাশ প্রদীপ' নামের বিমানের একটি উড়োজাহাজে করে উহানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তাদের কারও মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণের তথ্য পাওয়া না গেলেও সাবধানতার অংশ হিসেবে ১৪ দিনের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এ ৩১২ জনকে আনতে ওই উড়োজাহাজে চারজন চিকিৎসক, চারজন ককপিট ক্রু ও ১১ জন কেবিন ক্রুকে পাঠানো হয়েছিল। সংক্রমণ এড়াতে তাদের সঙ্গে মাস্ক, সানিটাইজার, ডিসপোজেবল গাউনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছিল। চীন থেকে ফেরার পর উড়োজাহাজটিকে ১২ ঘণ্টা ধরে স্প্রে করে জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে।
- বিষয় :
- করোনাভাইরাস
- চীন
- উহান
