ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

পাসপোর্ট অফিসের তিন কর্মচারীসহ ১৯ জনের বিচার শুরু

পাসপোর্ট অফিসের তিন কর্মচারীসহ ১৯ জনের বিচার শুরু
×

আদালত প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৩ | ১৫:২৪ | আপডেট: ০৮ মে ২০২৩ | ১৫:২৪

ভুয়া জন্মসনদ ব্যবহার করে পাসপোর্ট তৈরির মামলায় আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের তিন কর্মচারীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জুলফিকার হায়াত আজ সোমবার ১৮ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২০ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাঁদের বিচার শুরু হলো।

আসামিরা হলেন– আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের ডাটা এন্টি /কন্ট্রোলার একেএম তৌহিদুল ইসলাম, অফিস সহকারী জিয়াউর রহমান, রেকর্ড কিপার সুমন ইসলাম, আনসার সদস্য সাহাদুর ওরফে সাহাদুল, দালাল হেদায়েতুর রহমান ও তাঁর সহযোগী মো. ইব্রাহিম, আলমগীর হোসেন, শাহজালাল, আলাউদ্দিন মনা, রফিকুল ইসলাম, মো. সুজন, আব্দুল মালেক, শামসুল হক, ইমরান হোসেন, হারুন-অর রশিদ, দীন ইসলাম জমাদার, রুহুল আমিন মনির ও রেদোয়ান মুমন। এর মধ্যে রেদোয়ান মুমন পলাতক। অপর আসামিরা জামিনে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে হেদায়েতুর রহমান, রুহুল আমিন মনির এবং ইব্রাহিম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে আদালত চার্জগঠনের সময় অন্য আসামিরা অভিযোগ অস্বীকার করেন। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর ভুয়া জন্মসনদ ব্যবহার করে পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগে র‍্যাব-১১ দালাল হেদায়েত ও  ইব্রাহীমকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬০টি ভুয়া জন্মসনদ, ১০টি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, ৭টি পাসপোর্ট ও জালিয়াতিতে ব্যবহ্নত কম্পিউটার সামগ্রী জব্দ করা হয়। ওইদিন মতিঝিল থানায় র‍্যাব এ ঘটনায় মামলা করে। তদন্তের পর ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

তদন্তে জানা যায়, কক্সবাজারে দালালরা রোহিঙ্গাদের ভুয়া পাসপোর্ট তৈরির মাধ্যমে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ করে দিত। সম্প্রতি কক্সবাজার জেলায় পাসপোর্ট তৈরিতে সরকারি বিধি-নিষেধের কারণে ওই এলাকার জালিয়াত চক্রগুলো হেদায়েতের মাধ্যমে ঢাকায় পাসপোর্ট তৈরি করতো। হেদায়েত কক্সবাজার ও অন্যান্য এলাকায় দালাল চক্রের চাহিদা অনুযায়ী ভাতিজা সুমনের মাধ্যমে ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার আজিম নামের এক ব্যক্তির থেকে অনলাইনে সংগ্রহ করতো জন্ম নিবন্ধন। প্রতিটি অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের জন্য তারা নিতো ১ হাজার ৩০০ টাকা। হেদায়েদের বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়া থানার কাকারা গ্রামে। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার ফরিরাপুল এলাকায় তার নেতৃত্বে একটি কম্পিউটারের দোকানে জালিয়াত চক্র সক্রিয় রয়েছে।

আরও পড়ুন

×