প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২০ | ০৩:৪২ | আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২০ | ০৩:৫১
সমকালের অনলাইন সংস্করণে গত ২৯ মার্চ 'কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে নিজের রিসোর্ট দিতে চান হাফিজ ইব্রাহিম' শিরোনামের প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইয়েস মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভের পক্ষে এর চেয়ারম্যান মেজর (অব.) কবির আহমেদ মাহমুদী।
প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়েছে, হাফিজ ইব্রাহিমের বক্তব্য ভিত্তিক যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে যেখানে হাফিজ ইব্রাহিম ভুল কিছু তথ্য সরবরাহ করে প্রতিবেদককে বিভ্রান্ত করেছেন। হাফিজ ইব্রাহিম 'রাজেন্দ্র ইক্যো রির্জট্ এন্ড ভিলেজ'-এর মালিক নন। যে রিসোর্টটিকে তিনি রাজেন্দ্র ইক্যো রিসোর্ট হিসেবে উল্লেখ করেছেন সেটি আসলে ইয়েস মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড নামে একটি সমবায় সমিতির মালিকানাধীন এবং 'রাজেন্দ্র ইক্যো রির্জট্ এন্ড ভিলেজ' ব্র্যান্ড নামে গত কয়েকবছর যাবত চলমান রয়েছে। রিসোর্টটির মালিকানা বিষয়ক দাবি অর্থাৎ নিজেকে কর্ণধার হিসেবে দাবি করার কোনো ভিত্তিই হাফিজ ইব্রাহিমের নেই।
মেজর (অব.) কবির আহমেদ দাবি করা করেছেন, হাফিজ ইব্রাহিম প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, ইক্যো রিসোর্টে ১০০টির ওপর সুসজ্জিত কক্ষ আছে। তথ্যটি পুরোপুরিই ভুল। আলাদা আলাদা প্লট মালিকদের ৫০/৬০টির মতো কক্ষ রয়েছে এবং এগুলো মোটেই সুসজ্জিত অবস্থায় নেই। হাফিজ ইব্রাহিম যে ৮০ বিঘা জমির কথা উল্লেখ করেছেন সেই ৮০ বিঘা জমি ইয়েস কো-অপারেটিভেরই ক্রয় করা। মোট ৪৭টি প্লট ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করার পর এখনও ওই জমির শতকরা ৬০ ভাগের মালিক ইয়েস কো-অপারেটিভই। হাফিজ ইব্রাহিম শুধুমাত্র ১০ কাঠা একটি প্লটের মালিক।
প্রতিবাদলিপিতে আরও দাবি করা হয়েছে, হাফিজ ইব্রাহিমের কাছ থেকে প্রাপ্ত ভুল তথ্যের ভিত্তিতে সমকালের প্রতিবেদক জানিয়েছেন, রাজেন্দ্র ইক্যো রিসোর্টে ৫৭টি কটেজের মধ্যে ১৪টি ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে, যাতে শতাধিক কক্ষ আছে। এছাড়াও রয়েছে বেশ কয়েকটি মাটির ঘর। হাফিজ ইব্রাহিম নিজেকে মালিক দাবি করেছেন, কিন্তু প্রকৃত মালিক না হওয়ায় তথ্যও ঠিকমতো জানেন না। ইয়েস কো-অপারেটিভ ২০০৮/৯ সাল থেকে উক্ত এলাকায় জমি কিনে ডেভেলপ করে পর্যায়ক্রমে মোট ৪৭টি প্লট ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে। এরমধ্যে ১৪টি প্লটে কটেজ নির্মিত হয়। আরেকটি প্লটে কটেজ নির্মাণ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। কয়েকটি মাটির ঘর আছে- কয়েকটি নয়, একটি দোতলা মাটির ঘর আছে যেখানে ৪টি কক্ষ রয়েছে এবং পাশে মাটির একটি গোলঘর রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো- মাটির ঘরগুলোর মালিক যে ইয়েস কো-অপারেটিভ সেটি তিনি একবারও উল্লেখ করেননি।
- বিষয় :
- প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
