১৬টি কমিউনিটি রেডিওর সম্প্রচারে সহায়তা দাবি
ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২০ | ০৭:০২ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকটে ১৬টি কমিউনিটি রেডিওর সম্প্রচার আগামী ছয় মাস অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের জরুরি অনুদান প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশনের (বিএনএনআরসি) পক্ষ থেকে তথ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে দ্রুত সামাজিক দূরত্ব এবং কোয়ারেনটাইন/আইসোলেশনের কারণে কমিউনিটি মিডিয়া সেক্টর ব্যাপক চাপের মাঝে রয়েছে। অনুদান সংগ্রহের কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে এবং বিজ্ঞাপন থেকে প্রাপ্ত আয় রাতারাতি কমে যাবার ফলে কমিউনিটি রেডিওগুলো আর্থিক সংকটের মাঝে রয়েছে। অনুদানপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ কমে গেছে ও সংকুচিত হয়েছে অধিকাংশ কমিউনিটি রেডিওর আয়ের উৎস। কোনো আপদকালীন অর্থের ব্যবস্থা না থাকায় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
জাতীয় গণমাধ্যমের মতো কমিউনিটি মিডিয়াগুলো সামনে থেকে করোনা প্রতিরোধে বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদ এবং আশপাশের এলাকায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি সম্প্রচার করছে। ১৬টি কমিউনিটি রেডিও স্টেশন সংকটকালে জনগণের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কমউিনিটি রেডিওগুলোর প্রচারের ফলে গুজব এবং মিথ্যা তথ্যের প্রচার কমেছে এবং কভিড-১৯ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৬টি কমিউনিটি রেডিওর সম্প্রচার অব্যাহত রাখার জন্য এই সংকটকালীন সময়ে সরকারের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন এবং প্রণোদনার আওতায় নিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি।
এ বিষয়ে প্রস্তাবসমূহ হচ্ছে– জেলা ও উপজেলা প্রশাসন কমিউনিটি রেডিওর সম্প্রচার সময় ক্রয় করে কভিড-১৯ বিষয়ক অনুষ্ঠান প্রচার করা, কমিউনিটি রেডিও নীতিমালা ২০১৮ অনুসারে তথ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে কমিউনিটি রেডিও ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা এবং কভিড-১৯ কন্টেন্ট ফান্ড গঠন করা। কভিড-১৯ বিষয়ক মানসম্মত ও সঠিক সংবাদ তৈরি এবং ধারাবাহিক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে গ্রামীণ জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জনগণকে জরুরি অবস্থায় মানসিক সহায়তা প্রদান করা।
