ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সুশীল সমাজের চোখ সুদূর পশ্চিমে: আইনমন্ত্রী

সুশীল সমাজের চোখ সুদূর পশ্চিমে: আইনমন্ত্রী
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৬:৫০ | আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৬:৫০

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, কিছু মানুষ নিজেদের সুশীল সমাজ মনে করেন, তারা নিজেদের জনগণের গার্ডিয়ান ভাবেন। তারা দেশের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব পশ্চিমে তাকান না, তাকান সুদূর পশ্চিমে। সেখান থেকে যে বাণী আসে সেভাবে তারা ছবক দেওয়ার চেষ্টা করেন।

বুধবার সংসদে নারী এমপিদের শূন্য আসনে উপ-নির্বাচনের মেয়াদ বাড়ানো বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

এদিন জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন (সংশোধন) বিল–২০২৩’ নিয়ে আলোচনায় জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজী নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন মতামত প্রদানকারীদের সমালোচনা করেন।

তার বক্তব্যে একমত পোষণ করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জনগণই নির্বাচনের মাধ্যমে ঠিক করবে সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব কারা করবেন। কিন্তু কিছু মানুষ নিজেদের সুশীলসমাজ বলে মনে করেন, তারা নিজেদের জনগণের গার্ডিয়ান ভাবেন। জনগণের সঙ্গে তাদের কতটুকু সম্পৃক্ততা আছে তা নিয়ে সন্দেহ আছে। তারা নানা ডিকটেশন দেন। তারা দেশের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব পশ্চিমে তাকান না, তারা তাকান সুদূর পশ্চিমে। সেখান থেকে যে বাণী আসে সেভাবে তারা এখানে ছবক দেওয়ার চেষ্টা করেন।’ 

আনিসুল হক বলেন, ‘সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে যে রিভিউ পিটিশন করা হয়েছে গত সপ্তাহে তার শুনানি হয়েছে। উচ্চ আদালতের অবকাশ শেষে আবার শুনানি হবে। সেই শুনানিতে এর সমাপ্তি ঘটবে বলে বিশ্বাস করি।’

তিনি বলেন, এখন বিচারকদের পদত্যাগের বিধান নেই। বিচারপতি নিয়োগে একটি আইনের খসড়া প্রস্তত করা হয়েছে বলে সংসদকে জানান আনিসুল হক। 

রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, ‘আমাদের ফ্রি ফেয়ার নির্বাচন দরকার। একজন শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনার থাকবেন, এটা আশা করি। মেরুদণ্ড সোজা করে তারা নির্বাচন করবেন। আমরা চাই মানুষ ভোট কেন্দ্রে যাবে। নিরাপত্তা পাবে। প্রধানমন্ত্রী এটা চান, দেশবাসী চায়, বিশ্ববাসীও চায়।’ 

গণফোরামের মোকাব্বির খান বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের মধ্যে একটি অস্পষ্টতা, আতঙ্ক ও হতাশা রয়েছে। অনেকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। কখন ও কীভাবে নির্বাচন হবে- এ বিষয়ে সরকার তার অবস্থান পরিষ্কার করছে না।’

জাতীয় পার্টির সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন নিয়ে একটি মানসিক সমস্যা হয়। যারা নির্বাচিত হন তাদের কোনো নির্বাচনী এলাকা আছে কিনা-এ বিষয়টি তারা বুঝতে পারেন না।’

নির্বাচনে বেশি সংখ্যক নারী মনোনয়ন দেয়ার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা যায় কি-না সেই প্রস্তাব দেন তিনি।

আরও পড়ুন

×