বড় কষ্টে আছেন উবার পাঠাও চালকরা
×
কামরুল হাসান
প্রকাশ: ০৩ মে ২০২০ | ১২:০০
করোনাভাইরাস প্রকোপে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন বিভিন্ন অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং চালকরা। পরিবার পরিজন নিয়ে উবার-পাঠাওয়ের গাড়ি চালকরা এখন বড় কষ্টে আছেন। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, কবে আবার গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামতে পারবেন, তা কেউ বলতে পারছেন না। কারও কাছে হাত পাততেও সংশয় বোধ করছেন।
আলাপকালে কয়েকজন চালক এ প্রতিবেদককে জানালেন, এমন অনিশ্চয়তায় অনেকে ভিন্ন পেশা খুঁজছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে ইতোমধ্যে রিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। অনেকে ফেরি করে সবজি, ফলমূল বা নিরাপত্তা সামগ্রী বিক্রি করছেন। কেউ গ্রামের বাড়ি ফিরে গেছেন।
তারা জানান, গাড়ির চাকার সঙ্গে থেমে গেছে তাদের রোজাগারও। নিজের পরিবার আর সন্তানদের নিয়ে কোনো বেলা খেয়ে কোনো বেলা না খেয়ে দিন পার করছেন। জীবনে কখনও এ রকম অবস্থায় পড়িনি। কী করব তাও বুঝে উঠতে পারছি না। তারা আরও জানান, সবচেয়ে বেশি সংকটে রয়েছেন লোন বা কিস্তিতে কেনা গাড়ি চালকরা। গাড়ির চাকা না ঘুরলেও তাদের কিস্তি বা সুদের টাকা শোধ করতে হচ্ছে। সঙ্গে গাড়ি রাখার গ্যারেজ ভাড়াও দিতে হচ্ছে। তাই রোজগার বন্ধ হলেও ধারদেনা করতে হচ্ছে। কিন্তু এখন কাছের মানুষও ধার দিতে চাচ্ছেন না। কারণ সময়টা বড় খারাপ। ঘরের টাকা কেউ হাতছাড়া করতে চাচ্ছেন না।
উবার ২০১৬ সালে ঢাকায় তাদের কার্যক্রম শুরু করে। একই বছর যাত্রা শুরু হয় পাঠাওয়ের। মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এই কোম্পানি। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে এখন পাঠাওয়ের মোটরসাইকেল সেবা ব্যাপক জনপ্রিয়। রাজধানী ঢাকায় অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রী পরিবহন (রাইড শেয়ারিং) করছে প্রায় দেড়
লাখ মোটরসাইকেল ও কার।
সরকারি ঘোষণায় ২৬ মার্চ থেকে দেশব্যাপী বন্ধ যান চলাচল।
ফায়সাল শরীফ নামের একজন উবার চালক সমকালকে বলেন, এক মাসের বেশি সময় কর্মহীন অবস্থায় আছি। যেটুকু সঞ্চয় ছিল তা শেষ। সামনের দিনগুলোতে কী হবে তা নিয়েই শঙ্কায় আছি। এর মধ্যে গাড়ি কেনার কিস্তি বকেয়া পড়েছে। আত্মীয়স্বজন আর পরিচিতজনদের কাছ থেকেও কিছু ধারদেনা করা হয়েছিল গাড়ি কেনার সময়ে। তাদের টাকাও পরিশোধ বন্ধ রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছি।
মাঈনুল নামের একজন পাঠাও চালক বলেন, অনার্স পাস করে কোনো চাকরি না পেয়ে বাবার পেনশনের টাকায় মোটরসাইকেল কিনে রাস্তায় নামি। ভালোই আয় হতো। নতুন বিয়ে করেছি। এখন পেট চালানোই দায়। কারও কাছে হাত পাততেও পারি না। এ সমস্যা বলে বোঝানো যাবে না।
উবার ও পাঠাওয়ের কয়েকজন গাড়িচালক বলছেন, পরিচিত সূত্রে কিছু ট্রিপ পাচ্ছেন তারা। তবে তা পরিমাণে নগণ্য। তাদের দাবি, লকডাউন শেষে তাদের গাড়ি কেনার ব্যাংক কিস্তি অন্তত তিন মাস বন্ধ রাখা উচিত। এ ছাড়া সেবা চালু হলে অন্তত এক মাস কোম্পানিগুলোকে কমিশন বন্ধ রাখতে হবে।
পাঠাওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসেন মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, বৈশ্বিক মহামারির কারণে তাদের অ্যাপভিত্তিক সেবা মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়েছে। তাদের অনেক চালকই কঠিন বাস্তবতার মধ্যে পড়েছেন। গণপরিবহন যতদিন বন্ধ থাকবে, ততদিন রাইড শেয়ারিং সেবাও বন্ধ রাখা হবে। তবে জরুরি সেবা হিসেবে পাঠাও অ্যাপে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার সুবিধা চালু রেখেছি।
আলাপকালে কয়েকজন চালক এ প্রতিবেদককে জানালেন, এমন অনিশ্চয়তায় অনেকে ভিন্ন পেশা খুঁজছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে ইতোমধ্যে রিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। অনেকে ফেরি করে সবজি, ফলমূল বা নিরাপত্তা সামগ্রী বিক্রি করছেন। কেউ গ্রামের বাড়ি ফিরে গেছেন।
তারা জানান, গাড়ির চাকার সঙ্গে থেমে গেছে তাদের রোজাগারও। নিজের পরিবার আর সন্তানদের নিয়ে কোনো বেলা খেয়ে কোনো বেলা না খেয়ে দিন পার করছেন। জীবনে কখনও এ রকম অবস্থায় পড়িনি। কী করব তাও বুঝে উঠতে পারছি না। তারা আরও জানান, সবচেয়ে বেশি সংকটে রয়েছেন লোন বা কিস্তিতে কেনা গাড়ি চালকরা। গাড়ির চাকা না ঘুরলেও তাদের কিস্তি বা সুদের টাকা শোধ করতে হচ্ছে। সঙ্গে গাড়ি রাখার গ্যারেজ ভাড়াও দিতে হচ্ছে। তাই রোজগার বন্ধ হলেও ধারদেনা করতে হচ্ছে। কিন্তু এখন কাছের মানুষও ধার দিতে চাচ্ছেন না। কারণ সময়টা বড় খারাপ। ঘরের টাকা কেউ হাতছাড়া করতে চাচ্ছেন না।
উবার ২০১৬ সালে ঢাকায় তাদের কার্যক্রম শুরু করে। একই বছর যাত্রা শুরু হয় পাঠাওয়ের। মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এই কোম্পানি। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে এখন পাঠাওয়ের মোটরসাইকেল সেবা ব্যাপক জনপ্রিয়। রাজধানী ঢাকায় অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রী পরিবহন (রাইড শেয়ারিং) করছে প্রায় দেড়
লাখ মোটরসাইকেল ও কার।
সরকারি ঘোষণায় ২৬ মার্চ থেকে দেশব্যাপী বন্ধ যান চলাচল।
ফায়সাল শরীফ নামের একজন উবার চালক সমকালকে বলেন, এক মাসের বেশি সময় কর্মহীন অবস্থায় আছি। যেটুকু সঞ্চয় ছিল তা শেষ। সামনের দিনগুলোতে কী হবে তা নিয়েই শঙ্কায় আছি। এর মধ্যে গাড়ি কেনার কিস্তি বকেয়া পড়েছে। আত্মীয়স্বজন আর পরিচিতজনদের কাছ থেকেও কিছু ধারদেনা করা হয়েছিল গাড়ি কেনার সময়ে। তাদের টাকাও পরিশোধ বন্ধ রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছি।
মাঈনুল নামের একজন পাঠাও চালক বলেন, অনার্স পাস করে কোনো চাকরি না পেয়ে বাবার পেনশনের টাকায় মোটরসাইকেল কিনে রাস্তায় নামি। ভালোই আয় হতো। নতুন বিয়ে করেছি। এখন পেট চালানোই দায়। কারও কাছে হাত পাততেও পারি না। এ সমস্যা বলে বোঝানো যাবে না।
উবার ও পাঠাওয়ের কয়েকজন গাড়িচালক বলছেন, পরিচিত সূত্রে কিছু ট্রিপ পাচ্ছেন তারা। তবে তা পরিমাণে নগণ্য। তাদের দাবি, লকডাউন শেষে তাদের গাড়ি কেনার ব্যাংক কিস্তি অন্তত তিন মাস বন্ধ রাখা উচিত। এ ছাড়া সেবা চালু হলে অন্তত এক মাস কোম্পানিগুলোকে কমিশন বন্ধ রাখতে হবে।
পাঠাওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসেন মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, বৈশ্বিক মহামারির কারণে তাদের অ্যাপভিত্তিক সেবা মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়েছে। তাদের অনেক চালকই কঠিন বাস্তবতার মধ্যে পড়েছেন। গণপরিবহন যতদিন বন্ধ থাকবে, ততদিন রাইড শেয়ারিং সেবাও বন্ধ রাখা হবে। তবে জরুরি সেবা হিসেবে পাঠাও অ্যাপে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার সুবিধা চালু রেখেছি।
- বিষয় :
- উবার পাঠাও