পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে বাড়াতে হবে প্রচার, প্রসার ও সেবার মান: পর্যটনমন্ত্রী
ছবি: সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৫:৫৯
বিশ্বব্যাপী পর্যটন শিল্প ভালো নাম অর্জন করেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের দেশের জিডিপিতে এবং উন্নয়নে পর্যটন ভুমিকা রাখছে। আমাদের বক্তব্যে স্বীকার করেছি আমরা সে জায়গায় অর্জন করতে পারিনি। আমরা এটাও স্বীকার করেছি আমাদের পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। বিদেশিদের আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা আরও সুন্দর করতে হবে। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে প্রচার, প্রসার ও সেবার মান আরও বাড়াতে হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে ট্যুর অপারেটর অ্যসোশিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত ১২তম বিমান বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম মেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন বিমান পরিবহর ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান। তিনি বলেন, ‘পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে প্রচার, প্রসার এবং সেবার মান বাড়াতে হবে। আমাদের দেশে যে নীতি রয়েছে সেটা কিন্তু পর্যটন বান্দব। বিদেশিদের জানাতে হবে বাংলাদেশ কি সুবিধা এবং পর্যটনের সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা আরও সুন্দর করতে হবে। আমাদের পর্যটনশিল্পের নিরাপত্তার কোনো সমস্যা নেই। এ মেলা চলবে আগামী ৩ ফেব্রয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ৮টা পর্যন্ত চলবে।’
এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুব আলম, বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোকাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশে নেপালের অ্যাম্বাসেডর ঘনশ্যাম ভান্ডারি, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান একেএম আফতাব হোসেন প্রামাণিক (গ্রেড ১), বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আবু তাহের মো. জাভেদ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মো. শফিউল আজিম, বাংলাদেশে ভিয়েতনামের অ্যাম্বাসাডর নগুয়েন মান কুওং, নেপালের রাস্ট্রদুত ঘনশ্যাম ভান্ডারি প্রমুখ।
মন্ত্রী ফারুক খান বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের প্রচার এবং প্রসার বাড়াতে হবে। সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে। আমরা অতিথিপরায়াণ অতীতের সেবার মান উন্নয়ন করেই সেটা প্রমাণ করতে হবে। শুধু মুখে বললেই হবে না। অন অ্যারাইভাল ভিসা বিষয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি, ট্যুরিস্টরা যেন অন অ্যারাইভাল ভিসা পান। শুধু কথা নয় কাজে বিশ্বাস করতে হবে। ট্যুরিস্টদের সহজে আসার ব্যবস্থা করতে হবে। এভাবেই আমাদের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
মেলা আয়োজক কমিটি জানায়, তিন দিনব্যাপী এই মেলায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কের ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্টরা অংশগ্রহণ করছে। মেলায় তিনটি স্টলে ১২টি প্যাভিলিয়নসহ ১৫০টি স্টল থাকছে। সাইড লাইন ইভেন্ট হিসেবে থাকছে বি টু বি সেশন, সেমিনার ও রাউন্ড টেবিল ডিসকাশন। এছাড়াও মেলায় আগত দর্শনার্থীদের জন্য সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং দেশের পর্যটন গন্তব্যের উপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হবে।
- বিষয় :
- পর্যটন
- মুহাম্মদ ফারুক খান
