ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

পর্যটন ও এভিয়েশন শিল্পে বেড়েছে দক্ষতা ও সক্ষমতা: পর্যটনমন্ত্রী

পর্যটন ও এভিয়েশন শিল্পে বেড়েছে দক্ষতা ও সক্ষমতা: পর্যটনমন্ত্রী
×

ছবি: সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৯:৩০

গত ১৫ বছরে দক্ষতা ও সক্ষমতা বেড়েছে দেশের পর্যটন ও এভিয়েশন শিল্পে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান। তিনি বলেন, ‌‘উ‌ন্নয়নের এই ধারাকে এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক আগ্রহে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর নতুন ভাবে সাজানো হয়েছে। বাড়ছে নতুন নতুন রুট। এসব রুটে যাত্রীসেবায় আরও নতুন নতুন উড়োজাহাজ কেনা হবে। আগামী ২৬ মার্চ চালু হচ্ছে ঢাকা-রোম বিমানের সরাসরি ফ্লাইট।’

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এভিয়েশন এন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরামের নির্বাহী কমিটির সাথে বৈঠক কালে পর্যটন মন্ত্রী ফারুক খান এ কথা বলেন।
এসময় বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহনের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, যুগ্ম সচিব মো. সাঈদ কুতুব, এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি তানজিম আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক বাতেন বিপ্লবসহ প্রমুখ।

পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সকল বিমানবন্দর আধুনিকায়ন করার কাজ চলমান। এবছরই অক্টোবর মাসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক থার্ড টার্মিনাল চালু হবে। নতুন রাডার স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে দেশের সমগ্র আকাশসীমা নজরদারির আওতায় আসায় আমাদের আকাশসীমা দিয়ে চলাচলকারী উড়োজাহাজ হতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

মুহাম্মদ ফারুক খান বলেন, ‘শীতকালে প্রায়ই কুয়াশার কারণে ফ্লাইট ডাইভারশন করতে হয়। এই ডাইভারশন যাতে করতে না হয় তার জন্য আইএলএস সিস্টেম আপগ্রেড করা হচ্ছে। এছাড়াও মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে যে, কোন ফ্লাইট ডাইভারশনের প্রয়োজন হলেও তা যেন দেশের ভিতরেই করা হয়। এজন্য শীতকালের ঐ সময় সিলেট এবং চট্টগ্রাম এয়ারপোর্ট ২৪ ঘন্টা অপারেটিং থাকবে।’

ফারুক খান বলেন, ‘সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম এবং বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাজের ফলে এরই মধ্যে দেশি পর্যটকের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন আমরা বিদেশি পর্যটক বাড়ানোর জন্য কাজ করছি। দেশের পর্যটনের পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। পর্যটন শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার চেষ্টা চলছে। পুরাতন হয়ে যাওয়া বিভিন্ন পর্যটন স্থাপনা সংস্কার এবং এর কলেবর বৃদ্ধির জন্য দেশি-বিদেশি যৌথ বিনিয়োগ বিষয়ে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। পর্যটন ও এভিয়েশন শিল্পে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে ভূমিকা রাখছে তা যাতে আরও বৃদ্ধি পায় সেজন্য আমরা কাজ করছি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করার উপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা চাই গণমাধ্যমের বন্ধুরা আমাদের অংশীজন হিসেবে দেশের পর্যটন এবং এভিয়েশন শিল্পের সম্ভাবনাকে সুন্দরভাবে তুলে ধরুক। তাদের পেশাগত দায়দায়িত্ব পালনে আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। যেহেতু এই দুটি শিল্প টেকনিক্যাল সেজন্য এখানে যারা রিপোর্টিং এর দায়দায়িত্ব পালন করেন তাদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হবে।’

আরও পড়ুন

×