গাড়ি থেকে ব্যাংকের টাকার বস্তা হাওয়া
আটক চারজন সম্পৃক্ততা স্বীকার করছে না
×
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১ মে ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
পুরান ঢাকার বাবুবাজার এলাকায় ন্যাশনাল ব্যাংকের গাড়ি থেকে ৮০ লাখ টাকার একটি বস্তা খোয়া যাওয়ার ঘটনায় আটক চারজন তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ স্বীকার করছেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ। গাড়ির চালক, দুই নিরাপত্তাকর্মী আর ব্যাংকটির একজন নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশের কাছে বলেছেন, গাড়ি থেকে একটি বস্তা খোয়া গেছে ঠিকই। কিন্তু কীভাবে এটা হলো তা তারা বুঝতে পারছেন না। গত রোববার ওই ঘটনার সময়ে ব্যাংকের গাড়িতে দায়িত্বে থাকা ওই চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। ওই ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোতোয়ালি থানায় মামলা করলেও গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।
ঘটনাটি তদন্তের সঙ্গে যুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, তারা এখন ভরসা করছেন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজের ওপর। টাকাভর্তি গাড়িটি যেখানে যেখানে গেছে, সেসব এলাকায় স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এগুলো যাচাই করে দেখার চেষ্টা হচ্ছে, টাকার বস্তাটি সরানোর কোনো দৃশ্য পাওয়া যায় কিনা।
পুলিশ ও ন্যাশনাল ব্যাংকের সূত্র বলছে, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ওই গাড়ি গত রোববার পুরান ঢাকার বিভিন্ন শাখা থেকে টাকা সংগ্রহ করে। পরে মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের দিকে রওনা হওয়ার কথা গাড়িটির। বাবুবাজারে পৌঁছানোর পর গাড়িতে থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা চিৎকার করে বলেন, টাকার একটি বস্তা পাওয়া যাচ্ছে না। ৮০ লাখ টাকার ওই টাকার বস্তাটি বাংলাবাজারের নর্থব্রক হল রোড শাখা থেকে তোলা হয়েছিল।
পুলিশের কোতোয়ালি জোনের সহকারী কমিশনার সাইফুল আলম মুজাহিদ সমকালকে বলেন, তারা যে চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন, তাদের নাম এজাহারে নেই। বিষয়টি একেবারেই স্পর্শকাতর হওয়ায় তথ্য নিতে ব্যাংকটির দুই নিরাপত্তা কর্মী, গাড়ির চালক ও গাড়িতে টাকা সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা ব্যাংক কর্মকর্তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। যদিও তারা নিজেরা টাকার বস্তা সরানোর বিষয়টি স্বীকার করছেন না। অবশ্য তারা এটা বলেছেন, গাড়ি থেকে টাকার বস্তাটি খোয়া গেছে ঠিকই। কীভাবে খোয়া গেল তা বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।
পুলিশের লালবাগ বিভাগের ডিসি মুনতাসিরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। নিশ্চিত না হয়ে পুলিশ কাউকে হয়রানি করতে চাচ্ছে না। সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললেই কেবল ওই চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
ডিসি বলেন, এ কাজটিও অনেক সময় সাপেক্ষ। কারণ রাস্তার পাশে থাকা ভবনগুলোর প্রায় বেশির ভাগ দোকানই বন্ধ। এসব দোকানের মালিকদের খবর দিয়ে এনে তাদের কাছ থেকে ফুটেজ নেওয়া হচ্ছে। সব বিষয় মাথায় নিয়ে তারা তদন্ত করে টাকার বস্তা খোয়া যাওয়ার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছেন।
ঘটনাটি তদন্তের সঙ্গে যুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, তারা এখন ভরসা করছেন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজের ওপর। টাকাভর্তি গাড়িটি যেখানে যেখানে গেছে, সেসব এলাকায় স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এগুলো যাচাই করে দেখার চেষ্টা হচ্ছে, টাকার বস্তাটি সরানোর কোনো দৃশ্য পাওয়া যায় কিনা।
পুলিশ ও ন্যাশনাল ব্যাংকের সূত্র বলছে, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ওই গাড়ি গত রোববার পুরান ঢাকার বিভিন্ন শাখা থেকে টাকা সংগ্রহ করে। পরে মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের দিকে রওনা হওয়ার কথা গাড়িটির। বাবুবাজারে পৌঁছানোর পর গাড়িতে থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা চিৎকার করে বলেন, টাকার একটি বস্তা পাওয়া যাচ্ছে না। ৮০ লাখ টাকার ওই টাকার বস্তাটি বাংলাবাজারের নর্থব্রক হল রোড শাখা থেকে তোলা হয়েছিল।
পুলিশের কোতোয়ালি জোনের সহকারী কমিশনার সাইফুল আলম মুজাহিদ সমকালকে বলেন, তারা যে চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন, তাদের নাম এজাহারে নেই। বিষয়টি একেবারেই স্পর্শকাতর হওয়ায় তথ্য নিতে ব্যাংকটির দুই নিরাপত্তা কর্মী, গাড়ির চালক ও গাড়িতে টাকা সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা ব্যাংক কর্মকর্তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। যদিও তারা নিজেরা টাকার বস্তা সরানোর বিষয়টি স্বীকার করছেন না। অবশ্য তারা এটা বলেছেন, গাড়ি থেকে টাকার বস্তাটি খোয়া গেছে ঠিকই। কীভাবে খোয়া গেল তা বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।
পুলিশের লালবাগ বিভাগের ডিসি মুনতাসিরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। নিশ্চিত না হয়ে পুলিশ কাউকে হয়রানি করতে চাচ্ছে না। সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললেই কেবল ওই চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
ডিসি বলেন, এ কাজটিও অনেক সময় সাপেক্ষ। কারণ রাস্তার পাশে থাকা ভবনগুলোর প্রায় বেশির ভাগ দোকানই বন্ধ। এসব দোকানের মালিকদের খবর দিয়ে এনে তাদের কাছ থেকে ফুটেজ নেওয়া হচ্ছে। সব বিষয় মাথায় নিয়ে তারা তদন্ত করে টাকার বস্তা খোয়া যাওয়ার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছেন।