যশোর বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে রেকর্ড
যশোর অফিস
প্রকাশ: ৩১ মে ২০২০ | ০৬:৪৪ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এবছর যশোর বোর্ড জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে রেকর্ড গড়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ৪ হাজার বেশি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এবছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন শিক্ষার্থী। এর আগে, এ বোর্ডে এত সংখ্যক পরীক্ষার্থীর জিপিএ-৫ পাওয়ার ঘটনা নেই। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৯৪৮। তবে বোর্ডে পাসের হার কিছুটা কমেছে। এবছর পাসের হার ৮৭ দশমিক ৩১ ভাগ; গত বছর ছিল ৯০ দশমিক ৮৮।
রোববার প্রকাশিত ফলাফলে যশোর বোর্ডের এ চিত্র উঠে এসেছে।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, এবছর যশোর বোর্ডে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ৬৩৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার ২৪৩ জন। পাসের হার ৮৭ দশমিক ৩১ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন।
গত বছর এই বোর্ড থেকে পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ৯ হাজার ৯৪৮। সে অনুযায়ী গত বছরের চেয়ে এবছর যশোর বোর্ড থেকে ৩ হাজার ৮১৬ জন শিক্ষার্থী বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে। তবে পাসের হার ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছে।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, এবছর স্কুলগুলো থেকে নির্বাচনী পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। বোর্ড এ বিষয়ে কঠোর ছিল। ফলে যোগ্যরাই এসএসসি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার সুযোগ পেয়েছে এবং উত্তীর্ণ হয়েছে। আর প্রশ্নব্যাংক পদ্ধতি গ্রহণ করায় বোর্ড ৮ম থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এতে বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নভীতি কমেছে। আর শিক্ষার্থীদের গাইড নির্ভরতা কমেছে এবং মূল বইয়ের প্রতি মনোযোগী হয়েছে। শিক্ষক, অভিভাবকরাও শিক্ষার্থীদের প্রতি যতœ নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে ৮ম শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের বোর্ড থেকে মনিটরিং করায় ভাল ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে।