ঢাকা শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ম্যাচ শেষের আগেই কেন মাঠ ছেড়েছিলেন কোর্তোয়া?

ম্যাচ শেষের আগেই কেন মাঠ ছেড়েছিলেন কোর্তোয়া?
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬ | ১১:৩৫

লস অ্যাঞ্জেলেসে স্পেনের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে বেলজিয়াম। তবে রেড ডেভিলদের এই হৃদয়বিদারক বিদায়ের চেয়েও কথা উঠছে, ম্যাচ শেষের আগেই কেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষককে তুলে নেওয়া হয়েছিল?

ম্যাচ যখন ১-১ সমতায়, ঠিক তখনই ঘটে এই ঘটনা। গোল কিক নেওয়ার সময় উরুতে প্রচণ্ড চোট পান কোর্তোয়া। মাঠেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর খেলা চালিয়ে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত কোচিং স্টাফের সিদ্ধান্তে চোখের জল মুছতে মুছতে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। তার বিদায়ের পর বদলি গোলরক্ষক হিসেবে নামেন সিন লেমেন্স। মাঠে নামার পর ৮৮ মিনিটে মিকেল মেরিনোর করা জয়সূচক গোলটি হজম করে বসে বেলজিয়াম। আর তাতেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে স্পেন।

ম্যাচ শেষে কোর্তোয়া মাঠ ছাড়ার কারণ স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি একটা গোল কিক নিয়েছিলাম আর তখন উরুতে অনেক ব্যথা অনুভব করি। কোচিং স্টাফকে জানিয়েছিলাম যে লম্বা গোল কিক নিতে গেলে ব্যথা লাগছে। তবে গোলপোস্টে থাকতে আমার কোনো সমস্যা ছিল না। শেষ পর্যন্ত কোচ আমাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, এতে কোনো সমস্যা নেই কারণ দলটাই সবার আগে।’

কোর্তোয়ার মাঠ ছাড়ার সিদ্ধান্তটিই মূলত ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়। ৮৮ মিনিটে স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবারসির একটি দূরপাল্লার শট ঠিকঠাক গ্রিপ করতে পারেননি নতুন নামা গোলরক্ষক লেমেন্স। তার হাত থেকে ফসকে যাওয়া ফিরতি বলেই আলতো টোকায় স্পেনের জয়সূচক গোলটি করেন মিকেল মেরিনো।

মাঠ ছাড়ার আগে স্প্যানিশ আর্মাডাদের সামনে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কোর্তোয়া। স্পেনের একের পর এক আক্রমণ রুখে দিয়ে চারটি চোখধাঁধানো সেভ করেন তিনি। ৩০ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের যে গোলটি তিনি হজম করেছিলেন, সেটিও ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করায় কোর্তোয়ার কিছুই করার ছিল না।

চলতি বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের অন্যতম সেরা পারফর্মার ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী কোর্তোয়া। স্পেনের বিপক্ষে এই কোয়ার্টার ফাইনাল ছিল বিশ্বকাপে তার ২১তম ম্যাচ। এতে গোলরক্ষকদের মধ্যে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় এককভাবে দুই নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি। শীর্ষে আছেন শুধু জার্মানির ম্যানুয়েল নয়ারই, যার ম্যাচসংখ্যা ২৩টি।

আরও পড়ুন

×