ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি শিক্ষার্থীদের ৬ দাবি

মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি শিক্ষার্থীদের ৬ দাবি
×

সংবাদ সম্মেলনে ৬ দাবি জানান মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি শিক্ষার্থীরা। ছবি: সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৪ | ১৭:০৬

স্বতন্ত্র পরিদপ্তর গঠন ও ডিপ্লোমাধারীদের দশম গ্রেড পদমর্যাদা প্রদানসহ ৬টি দাবি জানিয়েছেন মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসির শিক্ষার্থীরা। শনিবার রাজধানীর মহাখালী ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি সংগ্রাম পরিষদ। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন।

তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী একজন চিকিৎসকের বিপরীতে ৩ জন নার্স ও ৫ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট থাকা প্রয়োজন। দীর্ঘ ১৪ বছরেরও বেশি সময় প্রশাসনিক জটিলতায় মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সরকারি চাকরিতে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সংখ্যা মাত্র ৪ হাজার ১০৬ জন এবং মোট পদের সংখ্যা ৫ হাজার ৯৭৫টি। প্রয়োজন ৮০ হাজার।

এই খাতে বৈষম্য তুলে ধরে সালাহউদ্দিন বলেন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পেশাজীবীদের পেশাগত লক্ষ্য বাস্তবায়ন, বদলি, পদোন্নতি, উচ্চ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি, সমন্বয়ের জন্য কোনো স্বতন্ত্র উইং কিংবা অধিদপ্তর নেই।

এ সময় ৬ দাবি তুলে ধরেন সদস্যসচিব জীবন ইসলাম। দাবিগুলো হলো- স্বতন্ত্র পরিদপ্তর গঠন করতে হবে। ডিপ্লোমাধারীদের দশম গ্রেড (দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড) পদমর্যাদা দিয়ে ডব্লিউএইচও’র আনুপাতিক হারে পদ সৃষ্টি করে দ্রুত নিয়োগ করতে হবে ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০১৩ সালে স্থগিত করা নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করতে হবে। গ্র্যাজুয়েট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের নবম গ্রেডের পদ সৃষ্টি পূর্বক চাকরিজীবীদের আনুপাতিক হারে পদোন্নতির নিয়ম বহাল রেখে স্ট্যান্ডার্ড সেট আপ নিয়োগবিধি এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ঢাকা আইএইচটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করে একটা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব আইএইচটিতে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট শিক্ষকদের স্বতন্ত্র ক্যারিয়ার প্ল্যান গঠন করে বিদ্যমান নিয়োগ বিধি ও অসঙ্গতিপূর্ণ গ্রেড সংশোধন করতে হবে। মেডিকেল টেকনোলজি কাউন্সিল ও ডিপ্লোমা মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড গঠন এবং প্রাইভেট সার্ভিস নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। বি ফার্মসহ সব অনুষদের বিএসসি ও এমএসসি কোর্স চালু করা এবং স্কলারশিপসহ প্রশিক্ষণ ভাতা চালু করতে হবে।

আরও পড়ুন

×