ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

‘অনেকের আপত্তি’ এবং গন্ডগোলের ইঙ্গিত পেয়ে অনুষ্ঠান স্থগিত করি: চারুকলার ডিন

‘অনেকের আপত্তি’ এবং গন্ডগোলের ইঙ্গিত পেয়ে অনুষ্ঠান স্থগিত করি: চারুকলার ডিন
×

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৫ | ১৪:৫৪ | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৫ | ১৬:০১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন আজহারুল ইসলাম বলেছেন, শরৎ উৎসব সাময়িকভাবে স্হগিত করা হয়েছে। তবে বাতিল করা হয়নি। অনুষ্ঠানটি পরবর্তীতে পালন করা হবে। আগামীকাল একটি মিটিং করবো। এরপর আমরা পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিব। 

তিনি আরও বলেন, অনেকে ফোনে বলেছে, আমরা ফ্যাসিবাদের দোসরদেরকে অনুষ্ঠান করার সুযোগ দিচ্ছি, অনেকের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে এবং গন্ডগোলের ইঙ্গিত পেয়ে আমরা এটি সাময়িকভাবে স্থগিত করি।

অন্যদিকে আয়োজকদের একজন সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী বলেন, আমাকে ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগের নাম–গন্ধে কোথাও কোনোদিন তিনি ছিলেন না।

১৯ বছর ধরে চারুকলায় এই ‘শরৎ উৎসব’ উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে। প্রতিবছরের মতো এবারও সেখানে উৎসব আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছিল সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী। তারা সব প্রস্তুতি শেষ করার পর হঠাৎ স্হগিত করা হয় বলে জানান মানজার চৌধুরী (সুইট)। এতে তিনি আতঙ্কিত হয়েছেন এবং এর মাধ্যমে সারা বিশ্বে একটি ‘বাজে ইঙ্গিত’ গেল বলে মনে করেন তিনি। বলেন, ‘এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা প্রকৃতির বন্দনা করি। এখানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত—এগুলোর সঙ্গে তো কোনো সম্পর্ক নেই। এমনকি আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই অনুষ্ঠান করে আসছি। আর আমরা তো কোনো ভুঁইফোড় সংগঠনও না।’

তবে ছোট পরিসরে গেন্ডারিয়ার কচিকাঁচার মেলার মাঠে শরৎ উৎসব করার চেষ্টা হলে সেখানেও অনুষ্ঠান করা হয়নি। সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী সুইট জানান, পুলিশ এসে আয়োজনের জন্য পাতানো চেয়ারগুলো উঠিয়ে দিতে দিতে বলেন। আর তারা বলেন, এখানে কোনো আয়োজন হবে না। বেলা ১১টার পর এই বিষয় নিয়ে তারা কথা বলতে আসবেন।

আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে অনেকের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে এবং গন্ডগোলের ইঙ্গিত পেয়ে আমরা এটি সাময়িকভাবে স্থগিত করি। অনেক জায়গা থেকে ফোনে আপত্তি জানানো হয়েছে৷ অনেকে ফোনে বলেছেন, আমরা ফ্যাসিবাদের দোসরদের অনুষ্ঠান করার সুযোগ দিচ্ছি, আমরা যদি এমনটা করি, তাহলে গন্ডগোল হবে। সেই জায়গা থেকে আমরা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলাম।’

আরও পড়ুন

×