ভাল ফলের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে নটরডেম, শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা ক্যাম্পাস
পাসের হার ৯৯.৬০, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৪৫৪
ফল প্রকাশের পর আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেন রাজধানীর নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছবি: সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫ | ১২:৪৮ | আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৫ | ১৩:০০
প্রতিবারই পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেন রাজধানীর নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থীরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
আজ বৃহস্পতিবার উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস যেন রূপ নেয় বাঁধভাঙা জোয়ারে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষকরাও শরিক হন সেই আনন্দে। বিজয়ের ‘ভি’ চিহ্ন দেখিয়ে ক্যামেরাবন্দি হওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। কেউ কেউ ফোনে সেলফি তুলছেন প্রিয় বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে। অনেক শিক্ষার্থী ইন্টারনেটে ফল জানলেও সহপাঠীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ছুটে আসেন কলেজ ক্যাম্পাসে। প্রিয় শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে ফলাফল জানাচ্ছেন ও দোয়া নিচ্ছেন। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
সারাদেশের ফলাফল খারাপ হলেও প্রতিষ্ঠানটি তাদের ভালো ফলাফলরে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা খুশি।
এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকার নটরডেম কলেজরে পরীক্ষার্থী ছিল ৩ হাজার ২৫১ জন। পাস করেছেন ৩ হাজার ২২৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৪৫৪ জন। প্রতিষ্ঠানটির এবারের পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
ছেলের ফলাফল জানতে কলেজ ক্যাম্পাসে এসেছেন রেজাউল হক। পেশায় ব্যাংকার রেজাউল জানান, তার ছেলে রবিউল হক বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমার দুই ছেলে। বড় ছেলে বুয়েটে পড়ছে। আমার ইচ্ছে, ছোট ছেলে চিকিৎসক হোক। তবে বাকিটা ছেলের ইচ্ছে। সে তার স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাক, ভাল মানুষ হোক এটাই চাওয়া।’
বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পাওয়া মানজুরুল ইসলাম বলেন, তার লক্ষ্য রোবোটিক্স নিয়ে পড়াশুনা করা। এজন্য দেশের বাইরের গিয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জনের ইচ্ছে রয়েছে।
বাণিজ্য বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শফিউল্লার ইচ্ছে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে ভালো চাকরি করা। তবে তার মূল লক্ষ্য উদ্যোক্তা হওয়া।
নটরডেম কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও সাংবাদিকদের বলেন, ফলাফল অন্যান্য বছরের মতো এবারও ভালো হয়েছে। এবার পাসের হার কম, এর প্রভাব কমবেশি সব কলেজেই পড়বে। তবে আমাদের কলেজে খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করেছে। আমাদের কলেজের ৮ জন শিক্ষার্থী অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণে পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল।
