মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ জনসমক্ষে উন্মুক্ত করার দাবি
হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ-এর লোগো
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৫ | ২০:৩৯ | আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০২৫ | ২০:৪২
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৫ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারির আগে সেটি জনসমক্ষে উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)। সংগঠনটি বলেছে, আইনটি জারির আগে এর চূড়ান্ত রূপ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে নাগরিকদের জানার সুযোগ দিতে হবে।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এইচআরএফবি এ দাবি জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে সম্প্রতি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত অধ্যাদেশের খসড়ার অনুমোদন হয়।
এর আগে গত ১১ অক্টোবর সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মানবাধিকার সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের এক বৈঠকে প্রস্তাবিত আইনটির বিভিন্ন ধারা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও সুপারিশ দেওয়া হয়েছিল। সেই আলোকে সংগঠনটি জানতে চায়, নাগরিক সমাজের সেই মতামতগুলো অধ্যাদেশের চূড়ান্ত খসড়ায় কতটা প্রতিফলিত হয়েছে।
২০০৯ সালে নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার কর্মীদের দীর্ঘ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন প্রণীত হয়। গত ১৫ বছরে আইনটির নানা দুর্বলতা ও কমিশনের ওপর নির্বাহী বিভাগের স্পষ্ট নিয়ন্ত্রণের কারণে সংস্থাটি তার স্বাধীনতা ও কার্যকর ভূমিকা বজায় রাখতে পারেনি– উল্লেখ করেছে এইচআরএফবি।
বিবৃতিতে বলা হয়, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় কমিশন অনেক সময় সরকারের কর্তৃত্বপরায়ণ অবস্থান এড়িয়ে গেছে, যা মানবাধিকার রক্ষার মৌলিক চেতনার পরিপন্থি। এইচআরএফবির আশা, নতুন আইন এমনভাবে প্রণীত হবে, যাতে কমিশন সত্যিকার অর্থে স্বাধীন, নিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনগণের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও প্যারিস নীতিমালা অনুসারে কমিশনের কাঠামো, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারণের আহ্বান জানানো হয়।
- বিষয় :
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
