উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ
কিডনি ডায়ালাইসিসের রাসায়নিক দিয়ে তৈরি হচ্ছে ‘গোলাপজল’ ও ‘কেওড়া জল’
ছবি: সংগৃহীত
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ নভেম্বর ২০২৫ | ০২:৫৬
বাজারে বিক্রি হওয়া ‘গোলাপজল’ ও ‘কেওড়া জল’ নামক সুগন্ধি পণ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত অনুমোদিত রাসায়নিক। সম্প্রতি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) চালানো এক অভিযানে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে, যা সাধারণ মানুষসহ খাদ্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিএফএসএ এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, গোলাপজল ও কেওড়া জলের প্যাকেটের লেবেলে ‘খাবার উপযোগী’, ‘ফুডগ্রেড’, ‘খাদ্য আইন অনুসরণ করে প্রস্তুতকৃত’ এবং ‘ভেজিটেরিয়ান খাদ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করে সুগন্ধি খাদ্যে ব্যবহার উপযোগী হিসেবে বাজারজাত ও বিক্রি করা হচ্ছে। এই সুগন্ধি কীসের তৈরি তা নির্ণয় করা যাচ্ছে না এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে।
খাদ্যে অননুমোদিতভাবে কোনো খাদ্য সংযোজন দ্রব্য ব্যবহার অথবা যথাযথভাবে লেবেলিং না করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৭ ও ৩২ ধারা অনুযায়ী অপরাধ।
বিএফএসএ বলছে, খাদ্যে ব্যবহার উপযোগী হিসেবে ঘোষিত যেসব সুগন্ধির লেবেলে মোড়কজাত খাদ্য লেবেলিং প্রবিধানমালা, ২০১৭ অনুযায়ী ‘অনুমোদিত প্রাকৃতিক’, ‘অনুমোদিত কৃত্রিম’ অথবা ‘অনুমোদিত প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম’ সুগন্ধি অভিব্যক্তি ব্যবহার করা হয়নি-এমন সুগন্ধি পণ্য উৎপাদন, ও বিপণন থেকে বিরত থাকা ও বাজারে বিদ্যমান থাকা পণ্যগুলো প্রত্যাহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম সুগন্ধির ক্ষেত্রে সুগন্ধি দ্রব্যের সাধারণ নাম, ইনডেক্স নম্বর না থাকা সুগন্ধি পণ্যও উৎপাদন ও বিপণন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
সব খাদ্য প্রস্তুতকারী বা সরবরাহকারী, যেমন- রেস্টুরেন্ট, বেকারি, কমিউনিটি সেন্টার, ক্যাটারিং সার্ভিস ইত্যাদি, তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, এমন সুগন্ধি খাদ্যে ব্যবহার না করার জন্য। সাধারণ জনগণকে যথাযথ লেবেলিং ব্যতিত এ ধরনের সুগন্ধি পণ্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
- বিষয় :
- নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ
