ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

কর্মশালায় হোসেন জিল্লুর রহমান

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ
×

প্রান্তিক মানুষ ও পরিবেশ নিয়ে কর্মশালা, প্রকাশনা উৎসব ও প্রামাণ্যচিত্রের প্রদর্শনী উৎসবে অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০২৫ | ২১:১৯

পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী পরিচালক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন, প্রান্তিক পর্যায়ের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বরের উপস্থিতি এবং তাদের সম্মান সমানভাবে নিশ্চিত করা একটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণের অংশ। তথ্যের মতো শক্তিশালী হাতিয়ার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়াতে এবং তাদের সম্পর্কে জানান দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।

বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে প্রান্তিক মানুষ ও পরিবেশ নিয়ে কর্মশালা, প্রকাশনা উৎসব ও প্রামাণ্যচিত্রের প্রথম প্রদর্শনী উৎসবে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (সেড), পিপিআরসি ও ব্রাত্যজন রিসোর্স সেন্টার (বিআরসি) যৌথভাবে এর আয়োজন করে।

হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পরিচিতি, অন্তর্ভুক্তি ও সম্মান– এই ত্রিমাত্রিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পাঁচটি অপরিহার্য হাতিয়ার রয়েছে। এগুলো হলো– সম্প্রদায়ের নিজস্ব সংগঠন, তথ্য ও তথ্যভিত্তিক জ্ঞান, সম্প্রদায়ের সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সম্প্রদায়ের উপস্থিতি এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তথ্যের প্রচার-প্রসার।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দ্য হাঙ্গার প্রজেক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর অধ্যাপক প্রশান্ত ত্রিপুরা, চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক তানিম নূর, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন রাজু, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক (উপসচিব) ড. অশোক কুমার বিশ্বাস, কারিতাস বাংলাদেশের প্রতিনিধি কমল গান্ধাই প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্টাল হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট-সেডের পরিচালক ফিলিপ গাইন। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে কায়পুত্র ও ঋষি সম্প্রদায়ের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র ‘জাতপাতের বলি’ প্রদর্শিত হয়। এরপর সেডের সর্বশেষ প্রকাশনা ‘রিপোর্ট অ্যান্ড অ্যানালাইসিস: মার্জিনালাইড অ্যান্ড এক্সক্লুডেড কমিউনিটিস অব বাংলাদেশ’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

মূল প্রবন্ধে ফিলিপ গাইন তিন দশক ধরে বন, পরিবেশ ও প্রান্তিক মানুষ নিয়ে সেডের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মধুপুরে প্রাকৃতিক শালবন ধ্বংস করে বিদেশি প্রজাতির বাণিজ্যিক চাষের ক্ষতিকর দিক নিয়ে সেড একদম শুরু থেকে গবেষণা, সংবাদ প্রতিবেদন তৈরি, প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ এবং গ্রন্থ প্রকাশ করে আসছে। এসব প্রতিবেদন, প্রামাণ্যচিত্র আন্তর্জাতিক সংস্থার ক্ষতিকর বিভিন্ন প্রকল্প বন্ধে অবদান রেখেছে বলে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন

×