ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

৪৪ জেলায় শীতের কাঁপন

বদলগাছীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৭

৪৪ জেলায় শীতের কাঁপন
×

রাজধানীতে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর শ্যামলীর শিশু হাসপাতাল থেকে তোলা সমকাল

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৮:১৯ | আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ | ১১:০২

| প্রিন্ট সংস্করণ

শীতের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। তাপমাত্রা কমছে। গতকাল বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দেশের উত্তরের জনপদ নওগাঁর বদলগাছীতে। এ তাপমাত্রা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, গতকাল দেশের চার বিভাগ এবং আরও প্রায় ৯ জেলায় ছড়িয়ে পড়ে শৈত্যপ্রবাহ। সব মিলিয়ে ৪৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। চলতি মৌসুমে এত বড় এলাকাজুড়ে এর আগে শৈত্যপ্রবাহ দেখা যায়নি। গতকাল রাজধানীতেও তাপমাত্রা আগের দিনের চেয়ে এক লাফে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে এসেছে। তবে গতকাল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশার সেই দাপট ছিল না। আকাশ পরিষ্কার থাকার কারণেই মূলত তাপমাত্রার এই নিম্নগতি বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

টানা তিন দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নিম্নমুখী। গত সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত মঙ্গলবার তা নেমে হয় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল উত্তরের জেলা রাজশাহীতে। গতকাল সেই উত্তরের জনপদ নওগাঁর বদলগাছীতে তাপমাত্রা কমে হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, শৈত্যপ্রবাহটি আরও কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে। তীব্র শীতের অনুভূতি আরও দুদিন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পর তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। ফলে শীতের অনুভূতি কমবে। কুয়াশার কারণে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় শীত বেশি অনূভূত হচ্ছে। কুয়াশা কিছুটা কাটতে শুরু করেছে। গতকাল বুধবার সকাল ৮টার পর দেশের পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে এক ঝলক রোদের দেখা মিলছে। তবে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে কুয়াশা ছিল। তাপমআজ বৃহস্পতিবার ও আগামীকাল শুক্রবার কুয়াশার এমন পরিস্থিতি থাকবে। এর পর কুয়াশা কিছুটা কাটতে পারে। শনিবার শীতের অনুভূতি কিছুটা কমার সম্ভাবনা আছে। তবে শীত জানুয়ারি মাসজুড়েই থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পঞ্চগড় প্রতিনিধি জানান, ঘন কুয়াশা, হিমেল বাতাস আর কনকনে শীতের দাপটে নাকাল হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাতে কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। প্রচণ্ড শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ, যানবাহনের চালক, শিশু ও বয়স্করা।

 

আরও পড়ুন

×