ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত পড়ে না থাকে: খাদ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত পড়ে না থাকে: খাদ্যমন্ত্রী
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২০ | ০৮:৪২ | আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০২০ | ১১:২২

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, কৃষিজমি দিন দিন কমে যাচ্ছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত পড়ে না থাকে। প্রতি ইঞ্চি জমিকে উৎপাদনের আওতায় আনতে হবে। এজন্য সেচ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। বরেন্দ্র এলাকায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখা যায় না, এ এলাকায় ফসল উৎপাদনের জন্য কিভাবে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায় সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদিত ফসলের প্রাপ্য মূল্যের নিশ্চয়তা দিতে হবে। তাহলে কৃষক ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত হবে, নিরুৎসাহিত হবে না। 

বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ‘মনিটরিং রিপোর্ট ২০২০ অব দ্যা বাংলাদেশ সেকেন্ড কান্ট্রি ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান নিউট্রিশন-সেনসিটিভ ফুড সিস্টেম’ শীর্ষক সভায় মন্ত্রী তার মিন্টু রোডস্থ সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব  নাজমানারা খানুম।

এফএও, ইউএসএআইডি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এফপিএমইউ এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায়  মন্ত্রী আরও বলেন, এই করোনার সময়ে বিভিন্ন ধরনের ফসলের পাশাপাশি সবজি ও নানা দেশজ ফল চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। উৎপাদনের পর সঠিক বাজার ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন করতে হবে। সবজি ও ফল-মূলের ক্ষেত্রে কৃষকের চেয়ে মধ্যস্বত্বভোগীরা বেশি মুনাফা নিয়ে যায়। ফলে দিন দিন কৃষক এ সেক্টরে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু শাকসবজি ও দেশজ ফল বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির অন্যতম উৎস। 

করোনা মহামারির কারণে অনেক মানুষ কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই করোনা থেকে কবে মুক্তি তা এখনও কেউ জানে না, সে জন্য নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে কিভাবে এই করোনাকে মোকাবেলা করে দারিদ্র্যের হার কমানো যায়। 

মন্ত্রী বলেন, আমরা অনেকেই অসচেতন। এই সময়েও অনেকেই মাস্ক পরে না, এজন্য আরো সচেতনতা তৈরি করতে হবে। তেমনি খাদ্যেও অনেকে ভেজাল দেয়। এজন্য আমরা জনসচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। 

তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের মনকে ভেজালমুক্ত করতে না পারবো, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ভেজালমুক্ত হতে পারবো না। তিনি এই করোনাকালীন সময়ে সেবার মনমানসিকতা নিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ইউএসএআইডির প্রাইভেট সেক্টর অ্যাডভাইজার অনিরুদ্ধ রায়, এমইউসিএইচ এর চিফ টেকনিকাল অ্যাডভাইজার নাওকি মিনামিগুচী, সিনিয়র নিউট্রিশন অ্যাডভাইজার লতিফা ভট্টাচার্য, পলিসি স্পেশালিস্ট সুশিল পান্ডেসহ খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

×