ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সামুদ্রিক ও মিঠাপানির মাছ চাষে জলবায়ুর প্রভাব নিয়ে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের ওয়েবিনার 

সামুদ্রিক ও মিঠাপানির মাছ চাষে জলবায়ুর প্রভাব নিয়ে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের ওয়েবিনার 
×

ছবি-সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬ | ২২:০৯

দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই জীবিকা গড়ে তোলায় মাছ চাষের ভূমিকা তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সামুদ্রিক ও মিঠাপানি মাছ চাষে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ, জলবায়ুর প্রভাব, অভিযোজন কৌশল এবং টেকসই মাছ চাষ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।

মঙ্গলবার সার্ক কৃষি কেন্দ্র একটি আঞ্চলিক ওয়েবিনারে অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞরা এসব গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ওয়েবিনারের মূল আলোচক ছিলেন- শ্রীলঙ্কার ওয়ায়াম্বা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাছচাষ ও মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ার প্রফেসর ড. সেভ্যান্ডি জয়াকোডি এবং ভারতের বারাকপুর কৃষি গবেষণা পরিষদ কেন্দ্রীয় মিঠাপানি মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক  ড. বি কে দাস। 

ড. বি কে দাস মিঠাপানিতে মাছ চাষে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, নদীর প্রবাহ ও বাসস্থানের পরিবর্তন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
 
ড. জয়াকোডি সামুদ্রিক ও উপকূলীয় মাছ চাষে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, তীব্র আবহাওয়া ও ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেন এবং গবেষণা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন।

সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মাছ চাষ এবং জলজ পরিবেশ ক্রমেই জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। উষ্ণতা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা এবং জলমান পরিবর্তন মাছ উৎপাদন ও লাখ লাখ মানুষের জীবিকা বিপর্যস্ত করছে। 

তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় ও গবেষণার মাধ্যমে জলবায়ু-সহনশীল মাছ চাষ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব উল্লেখ করেন।

ওয়েবিনারের সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন- সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম বিশেষজ্ঞ (মৎস্য) ড. মো. শরীফুল ইসলাম। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার মাছ চাষের প্রধান চ্যালেঞ্জ যেমন লবণাক্ততার বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জলপ্রবাহের প্যাটার্ন পরিবর্তন তুলে ধরেন।

সমাপনী বক্তব্যে কাঠমান্ডুর সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি অ্যান্ড এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, মাছ চাষ দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও জীবিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।

ওয়েবিনারের শেষাংশে অংশগ্রহণকারীরা অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে এবং জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় আঞ্চলিক সমন্বয় ও জলবায়ু-সহনশীল মাছ চাষ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন

×