ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সেমিনারে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সম্পদের অদক্ষ ব্যবহার বড় চ্যালেঞ্জ

নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সম্পদের অদক্ষ ব্যবহার বড় চ্যালেঞ্জ
×

ছবি : সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | ০৪:৩০

দেশের স্বাস্থ্য খাতে সম্পদের স্বল্পতার চেয়ে বিদ্যমান সম্পদের অদক্ষ ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতাই বড় সংকট বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

তিনি বলেন, বর্তমানে থাকা সম্পদের একটি বড় অংশই পুরোপুরি ব্যবহার করা হচ্ছে না, যা জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত ‘নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা: গবেষণা থেকে নীতিনির্ধারণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোরাস এ আয়োজন করে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেন, আমরা প্রায়ই স্বাস্থ্য খাতে সম্পদের ঘাটতির কথা বলি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিদ্যমান সম্পদও আমরা দক্ষভাবে ব্যবহার করতে পারছি না। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়াই সেবার পরিমাণ প্রায় ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

ঢাকার নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বৈষম্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মেগাসিটি ঢাকার ভেতরে ওয়ার্ডভিত্তিক দারিদ্র্য ও স্বাস্থ্য বৈষম্যের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা সত্যিই বিস্ময়কর। স্থানীয় পর্যায়ের তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ নীতি বাস্তবায়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবা শুধু চিকিৎসা প্রদান নয়, বরং রোগীর মানসিক ও সামগ্রিক সুস্থতার সঙ্গেও সম্পর্কিত। হাসপাতালের পরিবেশ ও আচরণও রোগীর সন্তুষ্টির অংশ। জনগণের প্রত্যাশা ও চাহিদাকে নীতিনির্ধারণে যুক্ত করতে পারলে একটি জনবান্ধব স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব, যোগ করেন তিনি।

গবেষণা ও নীতিনির্ধারণের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কাজকে আরও কার্যকরভাবে সরকারি নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে সম্পদ একত্র করে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও তিনি জোর দেন।

সেমিনারে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা নগর স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে কৌশলগত ক্রয় এবং সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন

×