ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি সংসদে তোলার দাবি রুমিন ফারহানার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি সংসদে তোলার দাবি রুমিন ফারহানার
×

ছবি: সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১৯:৪৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই হওয়া বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি সংসদে তোলার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের আগে সই হওয়া এই চুক্তিতে দেশের স্বার্থবিরোধী ধারা রয়েছে বলে তখন আপত্তি উঠেছিল। সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলও করতে পারে।

বুধবার সংসদের বৈঠকে পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা। এর আগে সকাল ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

রুমিন ফারহানা বলেন, মঙ্গলবার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর একটি বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমেরিকার সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে সেই বিষয়ে তিনি বেশ কিছু কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, ওই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য রপ্তানি করা হয়, আমেরিকা থেকে সে পরিমাণ পণ্য আমদানি হয় না, যে কারণে একটা বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে বিরাট এবং এই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণের লক্ষে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে। চুক্তি সইয়ের সময় নিয়ে আপত্তি তুলে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

তিনি বলেন, তখন দেশের সুশীল সমাজ ও থিংক ট্যাংক মহল থেকে বলা হয়েছিল- একটি অনির্বাচিত সরকার এ ধরনের চুক্তি সই করতে পারে না। এই চুক্তিতে অনেকগুলো ধারা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। সুতরাং নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে তখন যেন এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে দেখা গেল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কারো পরামর্শ শোনেনি এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, এটি কোনও পয়েন্ট অব অর্ডার হল না। একটি নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। এ সর্ম্পকে নোটিশ দিলে বিবেচনা করে দেখা হবে।

স্পিকারের বক্তব্যের পরও রুমিন ফারহানা আরও এক মিনিট সময় চান। তখন তিনি বলেন, এই চুক্তিটি ৬০ দিনের মধ্যে যদি সরকার চায় তারা এটিকে বাতিল করতে পারে। চুক্তিটি সংসদে আনা হোক।

আরও পড়ুন

×