তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় আসছে ওয়ানস্টপ সার্ভিস
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক এস এম আব্দুল আওয়াল। ফাইল ছবি
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬ | ০২:৫৮
তরুণ উদ্যোক্তাদের সরকারি সহায়তায় শিগগিরই ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করবে সরকার। পাশাপাশি তরুণদের আরও দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড় তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও স্থাপন করা হবে ক্যারিয়ার সেন্টার।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) অডিটরিয়ামে এক সেমিনারে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক এস এম আব্দুল আওয়াল।
‘তরুণ নেতৃত্ব, টেকসই ভবিষ্যৎ: একসঙ্গে এসডিজি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া’ শীর্ষক সেমিনারের যৌথভাবে আয়োজন করে বিআইআইএসএস এবং জাতিসংঘ প্রকল্প সেবা কার্যালয় ইউএনওপিএস।
সেমিনারে বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্রমণি পান্ডে, ইউএনওপিএস বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরালিধরন এবং বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান বক্তব্য দেন। সেমিনারে নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন কর্মী, শিক্ষাবিদ, যুবনেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন অংশীদাররা অংশ নেন।
সেমিনারে দুটি উপস্থাপনা করা হয়। উপস্থাপনা করেন বিআইআইএসএসের রিসার্চ ফেলো মো. রফিদ আবরার মিয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, বাজেট ও নীতি কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম। স্থানীয় পর্যায়ে এসডিজি অর্জনে যুব নেতৃত্বাধীন উদ্ভাবন এবং নীতিনির্ধারণী সম্পৃক্ততার ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। তারা টেকসই উন্নয়নে যুব সম্পৃক্ততার চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগগুলো নিয়েও আলোচনা করেন।
আব্দুল আওয়াল বলেন, বছরের পর বছর ধরে সমাজে যে বৈষম্য চলে আসছে, তা এক দিনে সমাধান সম্ভব নয়। তবে সরকার সংকট সমাধানে আন্তরিক। শিগগিরই উচ্চশিক্ষায় এআই প্রযুক্তি নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার কথা ভাবছে সরকার। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার সেন্টার চালু করবে সরকার। উদ্ভাবনী ভাবনা অথবা প্রস্তাব বাস্তবায়নে উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে অঙ্গীকার রয়েছে। এসডিজি বাস্তবায়নে সরকারের অব্যাহত অঙ্গীকার এবং জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় যুবকদের দৃষ্টিভঙ্গি অন্তর্ভুক্ত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন তিনি।
মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন যাত্রায় মূল অংশীদার হিসেবে তরুণদের ক্ষমতায়নের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি এমন একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করেন, যেখানে তরুণরা নীতিনির্ধারণী আলোচনা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক উন্নয়নে অর্থপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
সুধীর মুরালিধরন তাঁর বক্তব্যে টেকসই উন্নয়নের জন্য তরুণদের সম্পৃক্ততা, এসডিজি স্থানীয়করণ এবং বহু অংশীজনের অংশীদারিত্বকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে ইউএনওপিএসের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, তরুণরা কেবল উন্নয়নের সুবিধাভোগী নয়, বরং পরিবর্তনের সক্রিয় অংশীদার এবং চালিকাশক্তি। ২০৩০ এজেন্ডার দিকে অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে যুব নেতৃত্ব, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা এবং অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণে বিনিয়োগ জরুরি।
- বিষয় :
- উদ্যোক্তা
