ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

ইসরায়েল ‘হেরে গেল’, এরপর কী

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা

ইসরায়েল ‘হেরে গেল’, এরপর কী
×

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

আলজাজিরা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬ | ১৫:০১ | আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬ | ১৫:১২

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতার মাধ্যমে ইসরায়েলের হার ও ব্যক্তিগতভাবে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পরাজয় হয়েছে। অনেকের মতো ইসরায়েলের রাজনীতি বিশ্লেষক গিডিয়ান লেভিও বিষয়টিকে এভাবে দেখছেন। তাঁর মতে, তেল আবিবের সামনে এখন ইচ্ছাকৃতভাবে নাশকতার পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই।

আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লেভি বলেন, ইরান ইস্যুটি ছিল বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ‘লাইফ প্রজেক্ট’। কিন্তু এখন ইসরায়েলকে আলোচনার প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণভাবে বাইরে রাখা হয়েছে। তাদের হাতে কার্যত নাশকতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই।

লেভির ভাষায়, নাশকতামূলক পদক্ষেপের সবশেষ উদাহরণ হলো- রোববার বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে চালানো ‘হাস্যকর ও শিশুসুলভ হামলা’। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, সমঝোতার পুরো প্রক্রিয়ায় ইসরায়েলই কেবল ক্ষতির মুখে পড়েছে। নেতানিয়াহুর প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, সেটির প্রকৃত পরীক্ষা এখনো বাকি।

ইসরায়েলের এই রাজনীতি বিশ্লেষক আরও বলেন, তেল আবিবের প্রধান লক্ষ্যগুলো যদি পূরণ না হয়, তাহলে তারা কোনো যুদ্ধবিরতিতেই খুশি হবে না। ফলে নেতানিয়াহু নিজেও যুদ্ধবিরতি নষ্ট করার চেষ্টা করতে পারেন। তাই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন লেবানন পরিস্থিতি।

ইরানিরা বেশ দক্ষতার সঙ্গে লেবাননের বিষয়টিকে সমঝোতায় যুক্ত করতে পেরেছে বলেও মনে করেন লেভি। কিন্তু সেটি কীভাবে কার্যকর হবে তা বোঝা যাচ্ছে না। কারণ, ইসরায়েলি সেনারা এখনো লেবাননে অবস্থান করছে। সেখান থেকে সরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছাও দেখাচ্ছে না।

লেভির মতে, যতদিন ইসরায়েলি সেনারা সেখানে (লেবানন) থাকবে, ততদিন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর সম্ভব হবে না। কারণ লেবাননে ইসরায়েলি দখলের বিরুদ্ধে সবসময়ই প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন

×