এলএনজি টার্মিনাল রক্ষণাবেক্ষণে গ্যাসের স্বল্পচাপ, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা
ছবি-সংগৃহীত
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬ | ১৭:৫১
কক্সবাজারের মহেশখালীতে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহের একটি ভাসমান টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হওয়ায় সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ কমেছে। এর ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। অনেক স্থানে রান্নার চুলা স্বাভাবিকভাবে জ্বলছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার তিতাস গ্যাস এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এলএনজি সরবরাহের একটি ভাসমান টার্মিনালে (এফএসআরইউ) জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এর প্রভাবে তিতাসের অধিভুক্ত এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও সিএনজিসহ সব শ্রেণির গ্রাহক শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত গ্যাসের স্বল্পচাপের সম্মুখীন হতে পারেন।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, দেশে এমনিতেই চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম। মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন ৯৫ থেকে ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি পুনর্গ্যাসীকরণ করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে শনিবার একটি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হওয়ায় সরবরাহ প্রায় ১০ কোটি ঘনফুট কমিয়ে ৮৫ কোটি ঘনফুটে নামিয়ে আনা হয়েছে।
তিতাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক এলাকায় চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকতে পারে। এতে আবাসিক গ্রাহকদের রান্নার কাজে বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোও সমস্যার মুখে পড়তে পারে।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস। সংস্থাটি জানিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণকাজ শেষ হলে শনিবার রাত থেকেই এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরতে শুরু করবে এবং গ্যাসের চাপও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে।
- বিষয় :
- তিতাস
- গ্যাসের সমস্যা
- চাপ নেই
- এলএনজি
