ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষক তাশরিকের অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬ | ০৭:১৪
| প্রিন্ট সংস্করণ
সামাজিক মাধ্যমে গান গেয়ে আলোচনায় আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে তথ্যানুসন্ধান কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠিত ওই কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি তিনজন এমফিল গবেষকের কাছ থেকে সিনপসিস কম্পোজের জন্য টাইপিস্টের পারিশ্রমিক বাবদ ২০ হাজার টাকা করে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছেন। পিএইচডি গবেষকের তত্ত্বাবধায়কের পারিশ্রমিক বাবদ অর্থ দাবি করেছেন।
গত সোমবার অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাশরিক-ই-হাবিবকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত এবং ঘটনাটি অধিকতর তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়। বাংলা বিভাগের একাডেমিক কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভাগের পিএইচডি গবেষক সুশান্ত কুমার সরকার এবং এমফিল গবেষক মো. আব্বাস আলী, রওশন জাহান মৌসুমী ও নুসরাত জাহান শুচি অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবের বিরুদ্ধে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ আনেন। সত্যতা যাচাইয়ে গত বছরের ২৬ আগস্ট উপাচার্য একটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিভাগের একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গবেষকদের তত্ত্বাবধায়ক পরিবর্তনের জন্য বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবকে প্রয়োজনীয় ফরমে স্বাক্ষরের অনুরোধ জানালেও তিনি সাড়া দেননি। ফলে তারা একাডেমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট গবেষকদের নতুন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের সুপারিশ করে তথ্যানুসন্ধান কমিটি। একই সঙ্গে অধ্যাপক তাশরিকের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে সিন্ডিকেট তথ্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন গ্রহণ করে। অভিযোগগুলোর অধিকতর তদন্তের জন্য ‘দ্য রুলস ফর দ্য প্রিভেনশন অব প্লেজিয়ারিজম’-এর ৯-এ ধারা অনুযায়ী তদন্ত কমিটি গঠনের ক্ষমতা উপাচার্যকে দেওয়া হয়।
- বিষয় :
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
