ঢাকা বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

প্রতীকী মূল্যেই জলিল টেক্সটাইলের ৫৪.৯৯ একর জমি পাচ্ছে সেনাবাহিনী

প্রতীকী মূল্যেই জলিল টেক্সটাইলের ৫৪.৯৯ একর জমি পাচ্ছে সেনাবাহিনী
×

ছবি-সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬ | ১৮:১৮

চট্টগ্রাম এরিয়ায় বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (বিওএফ) বা বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা সম্প্রসারণের জন্য প্রতীকী মূল্যেই বন্ধ থাকা চট্টগ্রামের জলিল টেক্সটাইল মিলস বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করতে যাচ্ছে সরকার। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলের নিয়ন্ত্রণাধীন টেক্সটাইল মিলটি চট্টগ্রাম জেলার ফৌজদারহাট এলাকায় অবস্থিত।

টেক্সটাইল মিলটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে আজ বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুই দফা এ প্রস্তাবটি আসলেও তখন অনুমোদন করা হয়নি। 

আজ বৈঠকে অনুমোদন পাওয়ায় জলিল টেক্সটাইল মিলসের ৫৪.৯৯ একর জমি প্রতীকী মূল্যে বিওএফ-কে দেওয়া হবে। আর প্রতীকী মূল্য হিসেবে নির্ধারণ করা অর্থ দেওয়া হবে বিটিএমসিকে। বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার পক্ষ থেকে এই অর্থ দেওয়া হবে।

এর আগে প্রতীকী মূল্যে এ জমি হস্তান্তরের জন্য ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় উপস্থান করা হয়। তবে তখন সেটি অনুমোদন করেনি অন্তর্বর্তী সরকার। সভা শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘ওরা নিতে চেয়েছে তবে আমরা প্রস্তাব দিয়েছি যে, প্রতীকী মূল্যে দেওয়া হবে না। যারা জমি নিতে চাইবে অর্থ দিয়ে নিতে হবে। কারণ, প্রতীকী মূল্যে জমি দিলে এর যথাযথ ব্যবহার হয় না। অনেক ক্ষেত্রে ১০ একর জমির প্রয়োজন থাকলেও প্রতীকী মূল্যে দেওয়া হলে ১০০ একর জমির দরকার বলে জানানো হয়।’

এরপর একই প্রস্তাব গত ২৮ অক্টোবর দ্বিতীয়বারের মতো প্রস্তাব উঠে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায়। তবে এক্ষেত্রে মিলটির বকেয়া দায় পরিশোধ করে ৫৪ দশমিক ৯৯ একর নেওয়ার প্রস্তাব দেয় সেনাবাহিনী। তবে এ প্রস্তাবেও অনুমোদন দেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার।

আরও পড়ুন

×