ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: আইনমন্ত্রী

দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: আইনমন্ত্রী
×

ছবি- সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬ | ১৮:২৮ | আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৬ | ১৮:৩৭

দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকা দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, দক্ষ ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিভিন্ন অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে মামলার জট কমানো সম্ভব।

বুধবার রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (জেএটিআই) ‘দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব নিরসন: বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইন ও বিচার বিভাগ এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর যৌথ উদ্যোগে সেমিনারটির আয়োজন করা হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে এখনও এমন বহু দেওয়ানি মামলা রয়েছে, যেগুলো অনেক পুরনো।  দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন এসব মামলা বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে এবং বিচারব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। এ বাস্তবতা থেকে উত্তরণে সরকার বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিনির্ভর বিচারসেবা চালু এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, জাপানের বিচার মন্ত্রণালয় ও জাইকাসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা বিচারব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ধরনের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বিচারপ্রক্রিয়ার দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের উপ-মহাপরিচালক কাজুনোরি নোসে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জাপানের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দ মো. শাফায়েত এবং জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের অধ্যাপক ওয়াকাযোনো রেই। সমাপনী বক্তব্য রাখেন আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেমউল কায়েস। সেমিনারে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, আইন মন্ত্রণালয়, জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

×