ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৫০০ উপজেলায় মিলবে চক্ষু চিকিৎসা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

৫০০ উপজেলায় মিলবে চক্ষু চিকিৎসা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
×

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার 'স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ'-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। ছবি: সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬ | ১২:৪৫ | আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০২৬ | ১২:৫৪

দেশের প্রায় ৫০০টি উপজেলায় নির্মাণাধীন ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে চোখের চিকিৎসার জন্য পৃথক বহির্বিভাগ, অন্তর্বিভাগ ও অপারেশন থিয়েটার চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

একই সঙ্গে প্রায় ১০ লাখ ছানি অপারেশন, কয়েক কোটি মানুষকে চশমা দেওয়া এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ চূড়ান্ত করছে সরকার।

মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার 'স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ'-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যোগটির কার্যক্রম শুরু হলো।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তরের কাজ চলছে। প্রায় ৫০০ উপজেলায় চোখের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হবে। ফলে তৃণমূলের মানুষকে চোখের চিকিৎসার জন্য জেলা শহর বা রাজধানীতে ছুটতে হবে না।

তিনি বলেন, সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় থাকা এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর প্রশিক্ষণে প্রাথমিক চক্ষু সেবাকে (প্রাইমারি আই কেয়ার) বাধ্যতামূলক অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি জেলা হাসপাতালের অবকাঠামো কাজে লাগিয়ে দ্রুত অন্তত অর্ধেক জেলায় নিয়মিত ছানি অপারেশন ও রিফ্রাকশন সেবা জোরদার করা হবে।

জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান ড. মুহিত। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে একটি বড় প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এর বাস্তবায়ন শুরু হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গত ছয় মাসে চক্ষু সেবার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করেছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশ একটি বৈশ্বিক চক্ষু স্বাস্থ্য সম্মেলন আয়োজনের বড় প্রতিশ্রুতিও পেয়েছে।

ড. মুহিত বলেন, আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে দেশের চক্ষু চিকিৎসা খাতে দৃশ্যমান ও যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা সরকারের লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিওগুলোর অভিজ্ঞতাও কাজে লাগানো হবে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এস এম এম কাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক উপদেষ্টা ডা. তাশি তবগে এবং বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদসহ দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
 

আরও পড়ুন

×