মানবাধিকার কমিশন বিলকে দুর্বল আখ্যায়িত করে বিরোধী দলের ওয়াকআউট
ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২০:২২ | আপডেট: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২০:৫০
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ও গুম প্রতিকার অধ্যাদেশ বাতিল করে অপেক্ষাকৃত দুর্বল বিল উত্থাপনের অভিযোগ এনে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দল জামায়াত ও এনসিপির সদস্যরা। তবে স্বতন্ত্র সদস্যরা ওয়াকআউট না করলেও তারা উত্থাপিত বিল পাসের প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন ধারার কঠোর সমালোচনা করেছেন।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের জন্য আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানকে আহ্বান জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। উত্থাপনে আপত্তির সুযোগ নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, এমন দুর্বল আইনের পাসের অংশীদার তারা হবেন না। তাই এই আইনের আলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন না, ওয়াকআউট করছেন। এ সময় বৈঠকের সভাপতির আসনে থাকা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ওয়াকআউটের পাল্টা ধন্যবাদ জানান বিরোধী দলীয় নেতাকে।
রোববার জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল পাশের জন্য উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। পরে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল পাশের জন্য উত্থাপন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিল দুটো অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছিল।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, সরকারি দলের পক্ষ থেকে যখন বিলগুলো বাতিল করা হয়, তখন বলা হয়েছিল যে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং আরও ভালো আকারে তারা নিয়ে আসবে। মানবাধিকার সংক্রান্ত যে বিলটা এসেছে, সেখানে আইনের স্পষ্ট দ্বৈত প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে। মানবাধিকার কমিশনকে একটা ইউনিফর্ম অথরিটি দেওয়া হয় নাই।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, মানবাধিকার সংক্রান্ত বিলে আইনের স্পষ্ট দ্বৈত প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ যদি কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, তাহলে মানবাধিকার কমিশন সরাসরি তার তদন্ত করতে পারবে।
শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বিশেষ বিধানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনের দ্বৈত প্রয়োগ হতে পারে না। রাষ্ট্রীয় বাহিনী তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী, কিন্তু তারা এ দেশের নাগরিক। একই অপরাধে একজনের জন্য সরাসরি তদন্ত করা যাবে, আরেক জায়গায় আটকে পড়ে যাবে- এটা হতে পারে না।