ঢাকা সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ

যাত্রীর কাছে টাকা দেখে বাসেই হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

যাত্রীর কাছে টাকা দেখে বাসেই হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
×

প্রতীকী ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৩:০৩

জামালপুর থেকে গাজীপুরে যাওয়ার পথে বাসভাড়া দেওয়ার সময় লুঙ্গির কোচর থেকে টাকা বের করেছিলেন যাত্রী ইসমাইল হোসেন (৪৯)। তাঁর কাছে আরও টাকা থাকার ব্যাপারটি তখন নজরে পড়ে বাসের সুপারভাইজারের।

তিনি বিষয়টি জানান চালককে। এরপর ইসমাইলের কাছ থেকে টাকা কেড়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন তারা। এক পর্যায়ে বাসের অন্য যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে তারা ইসমাইলকে আটকে রেখে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে তাঁর মরদেহ ফেলে রাখেন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশে। লাশ উদ্ধারের দুই দিন পর গতকাল রোববার মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– বাসচালক সোহেল রানা (৪১), সুপারভাইজার সাজু ওরফে লিমন (২৬) এবং সহকারী (হেলপার) মো. মনির হোসেন (১৯)। তাদের কাছ থেকে বাসসহ হত্যায় ব্যবহৃত দুটি গামছা, রক্তমাখা দুটি আসনের কভার ও একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ৪ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে নয়টার দিকে লাশটি পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে বনানী থানা পুলিশ। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি মর্গে পাঠানো হয়। যে ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়, তাঁর পরিচয় তথ্যপ্রযুক্তি ও আঙুলের ছাপের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যরা থানায় আসেন এবং তাঁকে ইসমাইল বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় ইসমাইলের ছেলে বনানী থানায় মামলা করেছেন। 

গত ৪ সেপ্টেম্বর জামালপুর থেকে বাসে ওঠেন ইসমাইল। একপর্যায়ে ইসমাইলের কাছে ভাড়া চান সুপারভাইজার সাজু। ইসমাইল লুঙ্গির কোচর থেকে টাকা বের করে ভাড়া দেন। তখন সাজুর ধারণা হয়, ইসমাইলের কাছে অনেক টাকা আছে। পরে অভিযুক্তরা তাঁকে আটকে হত্যা করে টাকা কেড়ে নেন এবং মরদেহ সড়কে ফেলে পালিয়ে যান।

আরও পড়ুন

×