ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

পার্বত্য অঞ্চলে মৎস্য উৎপাদনে আমূল পরিবর্তন আনা হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

পার্বত্য অঞ্চলে মৎস্য উৎপাদনে আমূল পরিবর্তন আনা হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২০ | ১২:২৩

পার্বত্য অঞ্চলে মৎস্য উৎপাদনে আমূল পরিবর্তন আনা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। শনিবার রাঙামাটিতে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)-এর কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রে কাপ্তাই হ্রদে বিএফডিসি'র কার্যক্রম অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তন শুধু দেশেই নয়, বহির্বিশ্বেও আমাদের সম্মান বৃদ্ধি করেছে। মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে, ইলিশ উৎপাদনে অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে।

তিনি আরো বলেন, মৎস্য ব্যাবস্থাপনাকে কীভাবে আরো উন্নত করা যায় সেটা সরেজমিনে দেখার জন্য আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছি। কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ বন্ধকালে অতীতে কখনো মৎস্যজীবীদের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হতো না। এ বছর লেকে মৎস্য আহরণ বন্ধকালে মৎস্যজীবীদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আগামীতেও এটা অব্যাহত থাকবে।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কাপ্তাই হ্রদে অতীতের চেয়ে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ১২ হাজার ৬শ মেট্রিক টনের ঊর্ধ্বে এবার উৎপাদন হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে কাপ্তাই হ্রদে মাছের উৎপাদন ১৫ হাজার মেট্রিক টনের ঊর্ধ্বে চলে যাবে। এতে করে এ অঞ্চলের মানুষ যেমন মাছ পাবে, তাদের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূর্ণ হবে, এ মাছ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসবে। 

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যে জাল দিয়ে মাছের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ছোট মাছ ধরা পড়ে, মাছের পোনা নষ্ট হয়-এ জাতীয় কোনো জাল দিয়ে মাছ ধরতে দেয়া হবে না। যারা অবৈধ জাল ব্যবহার করবে তাদেরকে আইনের আওতায় আসতে হবে। মোবাইল কোর্টে তাদের সর্বনিম্ন সাজা হবে এক বছরের কারাদণ্ড। এমনকি জরিমানাও হতে পারে। 

বিএফডিসি'র চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদের সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বিএফডিসি'র পরিচালক রশিদ আহমদ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশীদ, বিএফডিসি'র কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক তৌহিদুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা উপমা, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান মহসীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও পড়ুন

×